নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে মজুত করা ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন। শনিবার (১৬ মে) সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব চাল জব্দ করা হয়।
অভিযুক্ত Abdus Samad ওরফে সামাদ ডাক্তার উপজেলার ১ নম্বর চরজব্বার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে Bangladesh Jamaat-e-Islami-এর আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ইমানআলী বাজারসংলগ্ন সামাদ ডাক্তারের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাল মজুত রাখা হচ্ছিল। পরে সেগুলো বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ ওঠে।
শনিবার সকালে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তার বাড়িতে গিয়ে একটি কক্ষে সরকারি বস্তায় সংরক্ষিত প্রায় ৯৯ বস্তা চাল দেখতে পান। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও Char Jabbar Police Station ঘটনাস্থলে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকালে খবর দেওয়া হলেও পুলিশ দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর পর থেকেই অভিযুক্ত সামাদ আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুস সামাদ মোবাইল ফোনে বলেন, চালগুলো তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগতির একটি মাদ্রাসা থেকে কিনেছেন। এরপর আর বিস্তারিত কিছু না বলে ফোন কেটে দেন।
এদিকে চরজব্বার ইউনিয়ন জামায়াতের আমির Omar Faruk দাবি করেছেন, রামগতির পোড়াগাছা ও আশপাশের কয়েকটি মাদ্রাসার সরকারি বরাদ্দের চাল বৈধভাবেই কেনা হয়েছিল।
তিনি বলেন, “ওয়ার্ড জামায়াত সভাপতি আব্দুস সামাদের ছোট ভাই কামাল এসব চাল কিনেছেন। কিছু ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটিকে অবৈধ চাল বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তবে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা Akib Osman বলেন, “চালগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারলে ফেরত দেওয়া হবে। অন্যথায় তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
— পত্রিকা একাত্তর

