patrika71
ঢাকাশনিবার - ১৫ অক্টোবর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

উপজেলা প্রতিনিধি, রাণীশংকৈল
অক্টোবর ১৫, ২০২২ ১:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে টাকা ছড়ানো এবং অন্য প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অভিযোগ এনে ৩ নম্বর ওয়ার্ড (পীরগঞ্জ) এর সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে অন্য ৬ জন প্রার্থী।

পীরগঞ্জ উপজেলার ৬ জন সদস্য প্রার্থী এই লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন রির্টানিং অফিসার বরাবরে জমা দেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে (পীরগঞ্জ) সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্ধীতা করছেন। এদের মধ্যে ৬ জন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালালেও সদস্য প্রাার্থী গিয়াস উদ্দীন (বৈদ্যুতিক পাখা মার্কা) নির্বাচন আচরণবিধি মানছেন না। তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা সর্বাত্মক লঙ্ঘন করেই চলছেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়,কখনও তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস, কখনো তথ্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ট বন্ধুসহ অনেক মন্ত্রী/এমপিদের নাম ভাঙ্গিয়ে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। তিনি শতাধিক মোটরসাইকেলে ব্যানার লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা করা ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অন্য প্রার্থীদের নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গিয়াস উদ্দীন শতাধিক ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস (কলম ক্যামেরা) ক্রয় করেছেন। যাহা ভোটের দিন ভোটারদের দিয়ে ভোট কেন্দ্রে পাঠাবেন এবং ব্লুটুথ এর মাধ্যমে তার মোবাইল থেকে তিনি তা দেখতে পারবেন যে, কোন কোন ভোটার তাকে ভোট দিচ্ছেন।

উপজেলার ১৪৫ জন ভোটারের মধ্যে তিনি বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বিতরণ করছেন। প্রতি ভোটারের পিছনে তিনি এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ ধার্য করা সহ ইতিমধ্যেই অর্ধেক পেমেন্ট দিয়েছেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে তাকে ভোট প্রদানের বিয়ষটি নিশ্চিত হওয়ার পর বাকি অর্ধেক টাকা দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি ৬০ থেকে ৭০ ভোটে জিতে গেছেন বলেও প্রচার করছেন।

অভিযোগ বিষয়ে সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন বলেন, তিনি কখনোই নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীর এপিএস বা লোক হিসেবে পরিচয় দেন বা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট করার জন্য আমরা সকল প্রকার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

পত্রিকা একাত্তর / আনোয়ার হোসেন আকাশ