patrika71
ঢাকাসোমবার - ৩১ অক্টোবর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তীব্র উত্তাপে হাহাকার দিনাজপুর শহরবাসী

ডেস্ক নিউজ
অক্টোবর ৩১, ২০২২ ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আজ (১৭ জুলাই) রবিবারের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা গত কয়েক দিনের টানা তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। বৃষ্টি হয়নি। তাই আবহাওয়া গুমোট। বাতাসে আর্দ্রতা কমে গেছে। মানুষ হাঁসফাঁস করছে। তাতানো রোদের ভাপেতাপে পুড়ছে উত্তরের জেলা দিনাজুর।



প্রতিদিনই সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কড়া রোদ, সঙ্গে প্রচুর- ভ্যাপসা গরম। ভ্যাপসা গরমে সর্দি, কাশি ও জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ। অনলাইনভিত্তিক আবহাওয়া পূর্বাভাস থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার ও শনিবার দিনাজপুরে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করেছে এবং রাতে তাপমাত্রার পারদ ছিলো ২৭ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা আজকের তুলায় কিছু বেশি ছিল।



এসময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিলো ৫০থেকে ৫৫ঃশতাংশের বেশি এবং গতিবেগ ঘন্টায় ১০ থেকে ১৪ কি.মি। বাতাসের গতিবেগ কম এবং আর্দ্রতা বেশি থাকায় ৪১ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম অনুভুত হচ্ছে মানুষের। প্রচুর- তাপদাহের কারণে জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, হিট স্ট্রোকসহ নানা রোগ দেখা দিচ্ছে।

ফলে মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ঋতুবৈচিত্র্যে শনিবার (১৭ জুলাই) শ্রাবনের ২য় দিন। এ সময় বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও তার পরিবর্তে ভাপসা গরমে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। সূর্যের তাপ অনেকটাই বেশি। উত্তপ্ত রোদের গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ, হাঁপিয়ে উঠেছে জনজীবন।



গরমের তীব্রতায় ছোটবড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা। বাসা থেকে বের হওয়ার পরপরই রৌদ্রতাপে অসহনীয় অবস্থায় পড়ছেন তাঁরা। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকে। রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে গেছে। রোদের আঁচ থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই এখন হাত-মুখসহ শরীরের বেশিরভাগ অংশ কাপড়ে ঢেকে বের হচ্ছেন।




কেউ ব্যবহার করছেন ছাতা। গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে মানুষ ঠাঁই নিচ্ছে গাছতলায় ও মাঠে। অনেকেই আশপাশের পুকুর, নদী ও খালবিলে ঝাঁপ দিয়ে শরীর ভিজিয়ে নিচ্ছেন। এদিকে বিক্রি বেড়েছে ডাব, কোমলপানীয় আর আইসক্রিমের। শরবতের গ্লাসে, পানির বোতলে কিংবা শসার টুকরোতেও শান্তি খুঁজছেন বর্ষায় তাপদাহে নাকাল মানুষ।




গ্রামগঞ্জেও বরফ দিয়ে তৈরি নানা রং আর স্বাদের শরবত বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সী মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সকালে সূর্যের আলো ফুটতেই গরম শুরু হয়। সময় যতই গড়ায় গরমের তীব্রতাও বাড়তে থাকে। তবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অসহ্য গরম থাকে, বাতাস নেই।




সন্ধ্যার পর অস্বস্তিকর গুমট হয়ে ওঠে পরিবেশ, রাতেও ভ্যাপসা গরম। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। তাতে দুর্বিষহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘুমানো যায় না। কেউ কেউ বলেছেন দিনে কয়েকবার করে গোসল করেও স্বস্তি পাচ্ছেন না। অনেকে আবার মেঝেতেও বিছানা পেতেছেন। ঘরের বিছানাসহ আসহনীয় গরম হয়ে উঠেছে।

নারী-শিশু-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির মাত্রা অন্যদের তুলনায় বেশি। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ও ঘটেছে ব্যাঘাত। যারা দিনমজুর, ভিক্ষা করে দিন চালায় তাদের মাঝেও এক ধরনের হাহাকার হতে দেখা যায়। অনেকের বলছে আমরা যেন জাহান্নামের আগুনে দহন হচ্ছি আল্লাহ্ আমাদেরকে মাফ করে বৃষ্টি বর্ষন করেন।



অন্যদিকে গরমের কারণে মৌসুমি রোগের প্রকোপও বেড়েছে। এর মধ্যে বমি, ডায়রিয়া ও জ্বরে ভুগছেন বেশিরভাগ মানুষ। এ সময় বেশি করে পানি পান, শরবতসহ ঠান্ডা জাতীয় পানীয়, বিশেষ করে লেবুর শরবত, ডাবের পানি বেশি বেশি করে পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্টরা।



পত্রিকাএকাত্তর /রায়হানকবির