স্বাধীনতার পর হতে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন কমিশনে প্রাথমিক শিক্ষা

কুদরত-ই-খুদা কমিশন থেকে সর্বশেষ কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশনে প্রাথমিক স্তরে গুহীত পদক্ষেপের তালিকা:

কুদরত-ই-খুদা কমিশনের পদক্ষেপ সমূহ: ১৯৭৪ সালে ‍কুদরত-ই-খুদা কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়:

০১। অষ্টম শেণি পর্যন্ত সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাচালু।

০২। অধিক ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে আকৃষ্ট করতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে অধিক মহিলা শিক্ষক নিয়োগ করা ও প্রয়োজনে বালিকা বিদালয় নির্মাণ করা।

০৩। ১৯৮০ সালের মধ্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন এবং ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নতি করা।

০৪। ঝড়ে পড়া রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, আকর্ষণীয় পাঠ্যক্রম চালু, যথোপযুক্ত পাঠ্যপুস্তকের উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন।

০৫। অভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু ; যা বৈজ্ঞানিক, বাস্তব ভিওিক সামাজিক অবস্থানের সাথে মানানসইএবং পরিবেশের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যর্পূণ।

৬। প্রাক-প্রাথমিক চালু।

০৭। শিক্ষক প্রশিক্ষণ পদ্ধতির সম্প্রসারণ এবং যথোপযুক্ত পাঠ্যপুস্তক উন্নয়ন।

০৮। প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও জাতীয় শিক্ষা বোর্ডে স্থাপন।

মফিজ উদ্দীন শিক্ষা কমিশন (১৯৮৮) কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

০১। সারাদেশে জরিপের মাধ্যমে নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় কোথায় এবং কতটি প্রয়োজন নির্ধারণ করতে হবে।

০২। জনসাধারণ স্থানীয় উদ্যোগে যে বিদ্যালয়ের জায়গা, গৃহ, আসবাসপত্র ইত্যাদির ব্যবস্থা করবেন সেসব বিদ্যালয় সরকারীকরণে অগ্রাধিকার পাবে।

০৩। জাতীয় সরকার কেবল শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের দায়িত্ব বহন করবে। বিদ্যালয় গৃহ রক্ষণাবেক্ষণ সংস্কার অন্যান্য সমস্ত দায়দায়িত্ব স্থানীয়কর্তপক্ষবহন করবে।

০৪। যে সমস্ত এলাকাবাসী দারিদ্র্যের কারণে বিদ্যালয় স্থাপন করতে পারবে না, সেসব এলাকায় সরকারিউদ্যোগে বিদালয় স্থাপিত হবে।

০৫। স্থানীয় উদ্যোগে বিদ্যালয় স্থাপন, সংরক্ষণওআর্থিক সংস্থান করতে হলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কমসূচী গ্রহণ করতে হবে।

০৬। বর্তমানে সরকার যে পরিমাণ কর আদায় করেতা দিয়েপ্রাথমিক- শিক্ষার জন্য প্রয়োজনী বিপুল অর্থের ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয়। স্থানীয় কর্তপক্ষকে প্রাথমিক শিক্ষার আদায় করার ক্ষমতাপ্রদান করা যেতে পারে।

শামসুল হক শিক্ষা কমিশনের (১৯৯৭) গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ:

০১। প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ২০১০ সালের মধ্যপর্যায়ক্রমে অট বছর করা হবে। এজন্য প্রাথমিক বিদালয়ের ভৌত সুযোগ-সুবিধা বাড়াড়ে হবে হবে।

০২। সমগ্র দেশে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক ও অভিন্ন শিক্ষাক্রম প্রর্বতন করা প্রয়োজন। শিক্ষার বিষয় হবে মাতৃভাষা, গণিত, পরিবেশ পরিচিতি, সমাজ ওবিজ্ঞান। এ ছাড়া থাকবে চার ও কারুকলা, শারীরিক শিক্ষা, ভাষাও ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। প্রথম শ্রেণি থেকে সহপাঠ্যক্রমিক বিষয় থাকবে।

৩। প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন ধারার মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে তার, অবসান ঘটিয়ে সবার জন্য মাতৃভাষার মাধ্যমে একই মান ও বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একই ধারার শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টি করা আবশ্যক।

৪। প্রাথমিকস্তরের শেষ তিন শ্রেণিতে শিক্ষাথীদের জীবন পরিবেশের” উপযোগী কিছু বৃতিমূলক শিক্ষা প্রদান করতে হবে।

৫। প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষক-শিক্ষাথীর অনুপাত হবে ১:৩৫।

৬। প্রাথমিক-বিদ্যালয়ের প্রথমও দ্বিতীয়শ্রেণিতেধারা বাহিক মূল্যায়ন এবং তৃতীয় থেকে সকল শ্রেণিতে সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষা চালু করা যেতেপারে। পঞ্চম শ্রেনি শেষে বৃত্তি পরীক্ষা এবং অষ্টম শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা হবে।

৭। প্রথম শ্রেনির প্রথম ছয়মাসের শিক্ষাকে প্রস্তুতিমূলক শিক্ষা হিসেবে প্রাক-প্রাথমিক- শিক্ষা প্রবর্তন করা যায়।

৮। শিক্ষক নিয়োগের সর্বনিম্ন সাধারণ যোগ্যতা হবে নিম্ন প্রাথমিকের জন্য একটি দ্বিতীয় বিভাগসহ এইচ.এস.সি পাশ মহিলা এবং উচ্চপ্রাথমিকের জন্য একটি দ্বিতীয়বিভাগসহ স্নাতক ডিগ্রিধারী মহিলারা পুরুষ। প্রধান শিক্ষকের সরাসরি নিয়োগের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হবে দ্বিতীয় বিভাগের স্নাতক এবং তিনবছরের মধ্যে সি. ইন. এড বা বি. এড (প্রাইমারী)অর্জন করতে হবে।

৯। শিক্ষকদেরনিয়োগের জন্য সরকারি কর্মকমিশনের অনুরুপ একটি পৃথক- শিক্ষক নির্বাচনী কমিশনপ্রতিষ্টা করতে হবে।

১০। শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষনের সুযোগ এবং প্রশিক্ষনের সঙ্গে পদোন্নতির যোগসূত্র স্থাপন করা আবশ্যক। উচ্চতর ডিগ্রিধারী যোগ্যতাসম্পন্নদের সরাসরি নিয়োগ এবং পদোন্নতির মাধ্যমে উচ্চতর পদ” পুরনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

১১। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিভিন্ন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে এবং কর্মকালীন প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকতে হবে।

১২। ন্যাশনাল একাডেমি কর প্রাইমারী এডুকেশন(নেপ) কে অভীষ্ট মানের শীর্ষ পর্যায়ের জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিনত- করতে হবে।

১৪। প্রাথমিক স্তরের সব ধরনের শিক্ষক এবং কর্মচারীর চাকরি জাতীকরণ করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা উন্নয়ন ও দায়িত্ব স্থানীয় সরকার ও ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যাস্ত করা যেতে পারে।

১৫। তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণের কাজ যথাসম্ভব বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।

১৬। প্রাথমিক শিক্ষার সর্বজনীন বিস্তারের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিদ্যালয় স্থাপন করেবিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে।

১৭। শিক্ষাখাতে ব্যয়বরাদ্দ বাড়াতে হবে। দুই হাজারসাল নাগাদ প্রাথমিক- শিক্ষার জন্য অন্তত তিন শতাংশ এবং সমগ্র শিক্ষার জন অন্তত পাঁচ-শতাংশ উন্নীত বরা উচিত।

১৮। সবার জন্য মানসম্মতপ্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরার লক্ষ্যে সমগ্র জাতিকে সর্বশক্তি নিয়োজিতকরতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষায় মনিরুজ্জামান শিক্ষা কমিশন (২০০৩) এর পদক্ষেপ:

১। স্কুল ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে আগামী ১০ বছর সরকারকে প্রতিবছরে ১০০ টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, করতে সুপারিশ করা হয়েছে। নতুন বিদ্যালয়প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেবিদ্যালয় বিহীন, দুর্গম ও নৃতাত্তিক জাতিসত্তা অধ্যুষিতএলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

২। ‍প্রতিটি বিদ্যালয়ে ন্যূনতম ৬ জন শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে এবং ৬টি শ্রেণিকক্ষ নির্মান করতে হবে।

৩। দেশে প্রচলিত ১১ ধরনের বিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধান কার্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওপর ন্যাস্ত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। একই সাথে বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ও এনজিও পরিচালিত পূণাঙ্গ প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলিকে রেজিষ্টেশনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪। আগামী ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩০-এ এবং পরর্বর্তী ১০ বছরের মধ্যে ১:২৫-এ নামিয়ে আনতে হবে।

৫। ছাত্র-শিক্ষক সংযোগ কাল বছরে ২২০ ধরে কার্য দিবস ধরে প্রথম ও দ্বিতীয়শ্রেণির জন্য ন্যূনতম ৭২০ ঘণ্টা এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ১২৭৫ ঘন্টা নির্ধারণ করতে হবে।

৬। শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

৭। মূল্যায়ন পদ্ধতি নতুন ধারণা প্রবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে।

৮। শিক্ষকগণ নিরপেক্ষ একটি কর্মকমিশনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।

৯। পাঠ্যপুস্তক ও শিখন শেখানো সামগ্রী প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের পরার্মশক্রমে নতুনভাবে তৈরী করতে হবে।
এসব বিষয়ে ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে।

১০। শিক্ষকদের বেতন স্কেল এবং বেতন নির্ধারিত হবে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিবেচনায়।

১১। প্রাথমিক পর্যায়ের কোন শিক্ষক যথোপযুক্ত কোনশিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করলে মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক পদে অথবা শিক্ষা ক্যাডারের উচ্চতর পদে যাতে যেতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে হবে।

১২। শিক্ষকদের পেনশন গ্রাচুয়িটি ইত্যাদি পাওনা অবসর গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করে শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব নম্বর জমা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন (২০০৯) কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ:

০১। সকলের জন্য মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ সংবিধানে বিধৃত হয়েছে। তাই প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা সর্ম্পূন্নভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং রাষ্ট্রকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

০২। প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণ প্রতিক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্ব বেসরকারি বা এনজিও খাতে হস্তান্তর করা যাবে না। কোন ব্যক্তি বা বেসরকারি বা এনজিও প্রাথমিক শিক্ষাদান কল্পে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে চাইলে তা যথাযথ কর্তপক্ষের অনুমতি সার্পেক্ষে রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান পালন করতে হবে।

৩। প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থ্যাৎ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে হবে।

৪। ২০১১-১২ অর্থ বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষা ষষ্ট থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করার জন্য অনতি বিলম্বে নিম্ন লিখিত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

  • (ক) প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার নতুন শিক্ষাক্রম,পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা।
  • (খ) প্রাথমিক পর্যায়ে সকল শিক্ষকের জন্য শিক্ষা ক্রম বিস্তারসহ শিখন-শেখানো কার্যক্রমরে ওপর ফলপ্রসু প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
  • (গ) শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় পূর্ন-বিন্যাস করা।

৫। প্রাথমিক শিক্ষার এই পুর্নবিন্যাসের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে সকল বিদ্যালয়ে ভৌত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

৬। যথাযথ পদ্ধতি অনুসারণ করে আট বছর ব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ২০১৮ এর মধ্যে ছেলে-মেয়ে
আর্থসামাজিক অবস্থা এবং জাতিসত্তা নির্বিশেষে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল শিশুর জন্য নিশ্চিত করা হবে।

৭। বর্তমানে চালু ৬+ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিরনিময় বাধ্যতামূলক করা হবে।

৮।প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত হবে ১:৩০ এ লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে ২০১৮ সালের মধ্যে অর্জন করা হবে।

৯। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক/শিক্ষিকার আচরণ যেনশিক্ষার্থীদের কাছে বিদ্যালয়কে আকর্ষণীয় করে তোলে সেদিকে নজর দেওয়া হবে। এবং শিক্ষা পদ্ধতি হবে শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক, চিত্রকর্ষক, পঠনেসৃষ্টির সহায়ক।

১০। সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান এবং গ্রহণ ও শিক্ষার্থীর সুরক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।

১১। দরিদ্র্য ছেলে-মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি সম্প্রসারণ করাহবে।

১২। দুপুরের খাবার ব্যবস্থা করা জরুরী। পিচিয়ে পড়াএলাকাসহ গ্রামীণ সকল বিদ্যালয়ে দুপুরে খাবার ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।

১৩। আদিবাসী প্রান্তিক শিশুদের জন্য বিশেষ সহায়তারব্যবস্থা করা হবে।

১৪। সব ধরণের প্রতিবন্ধির জন্য প্রয়োজনানুসারে বিদ্যালয়গুলোতেপ্রতিবন্ধিবান্ধব সুযোগ-সুবিধা, যেমন-শৌচাগার ব্যবহারসহ চলাফেরা করাও অন্যান্য সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

১৫। শিশুর সৃজনশীল চিন্তা ও দক্ষতা প্রসারের জন্য সক্রিয় শিখন পদ্ধতি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের কে এককভাবে বা দলগতভাবে কার্যসম্পাদনের সুযোগ দেওয়াহবে।

১৬।সক্রিয় অভিভাবক শিক্ষক কমিটি প্রতিষ্ঠা করে অভিভাবকদেরকে বিদ্যালয় এবং তাঁদের ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার বিষয়ে আরো উৎসাহী করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১৭। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিভিন্ন কার্যকর ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও আরো নানামুখী পদ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদক:
মোঃ মাহবুব হাসান
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
জলঢাকা, নীলফামারী।

পত্রিকাএকাত্তর / আজমির রহমান

সম্পর্কিত নিউজ

Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ নিউজ