patrika71
ঢাকাবৃহস্পতিবার - ২০ অক্টোবর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মা ইলিশ অভিযানের নামে মৎস্য অফিসের প্রহরীর চাঁদাবাজি

জেলা প্রতিনিধি, ভোলা
অক্টোবর ২০, ২০২২ ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সারা দেশে মা” ইলিশ ধরার ওপরে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ বন্ধ থাকার কথা থাকলেও ভোলার সদর উপজেলার মৎস্য অফিসের প্রহরী মো.জাফর মেঘনা নদীতে টাকা নিয়ে জেলেদের জাল ও নৌকা নিয়ে মাঝিদের প্রতিনিয়ত মৎস স্বীকার করার অনুমতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।

গত ১৭ অক্টোবর (সোমবার) দুপুরে ভোলার খাল ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নৌকার থেকে ৩৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে নৌকা ও জাল ছেড়ে দেয় মৎস্য অফিসের কর্মচারী প্রহরী মো. জাফর। মৎস্য অফিসের মাঝি বশির ও স্পীড বোটচালক রাশেদ ও সদর উপজেলা ইউএনও অফিসের পেশকার জসিম সহ দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

এবিষয় ভুক্তভোগী বিল্লাল মাঝি বলেন, জাফরের নেতৃত্বে আমরা নদীতে খেওয়া দিয়ে মৎস স্বীকারে যাই। পরে আমাদেরকে আটক করলে ঐ মৎস প্রহরী জাফর আমার কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা চাঁদা নেয়। এবং বাকি ১৫হাজার টাকা জাফরের সাথে আসা অন্যন্য কর্মকর্তাদের দেই। আর এইসব দালালির সাথে জাফর সহ এ সিন্ডিকেট জড়িত ওতোপতো ভাবে জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ তার।

এবিষয়ে ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রহরী অভিযুক্ত জাফর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা নদীতে নৌকা জাল সহ পাঁচজন লোক ধরেছি এবং ঘাটে নিয়ে আসছি। আমাদের ইউএনও স্যার জসিমকে দিয়ে জরিমানা করিয়েছে এইটুকু জানি। তারপর আমি অন্যদিকে চলে আসছি। পরে কি হয়েছে আমি কিছুই জানি না।

সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসাইন প্রথমে বলেন, শুধু ৫ জন আসামী আটক করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে আবারও ফোন করলে তিনি জালের কথা স্বীকার করে বলেন, জাল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু নৌকা পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত জাফরের কথা বললে তিনি আরো জানান, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে। অপরাধ প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয় ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তৌহিদুল ইসলাম জানান, ১৭ অক্টোবর শুধু ৫ জন আসামী আটক করা হয়। চারজন ১৮ এর নিচে হওয়ায় তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এবং একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে জাল আর নৌকার বিষয় আমি কিছু জানি না।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদুল হক মোল্লা জানান, আমি এ অভিযানে ছিলাম না। তারপরও আমাদেরও বিধি মোতাবেক যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেটা আমরা অবশ্যই নিবো। বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার জানান,বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি জেলার মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

পত্রিকা একাত্তর / নিয়াজ মাহমুদ জয়