চট্টগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিবের ওপর বাসা হামলা-ভাঙচুরে গ্রেপ্তার
শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাতকে রোববার আদালতে কারাগারে পাঠানো হয়
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি · চট্টগ্রাম
প্রকাশ:
গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের কাপাসগোলা এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাহাত উল্ল্যাহরের বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। রাহাতের মা সেলিনা আক্তার ও প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম দুজনেই আহত হন। ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাতসহ ২০ থেকে ২৫ জন মানুষ প্রবেশ করে। পুলিশ পরবর্তীতে শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাতকে গ্রেপ্তার করে।
বিজ্ঞাপন
সেলিনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাত ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর ছেলেকে খুঁজতে বাসায় ঢোকেন। রাহাতকে না পেয়ে তাঁরা বাসার আসবাবপত্র, দরজা ও জানালা ভাঙচুর করেন এবং একপর্যায়ে সেলিনা আক্তারকে মারধর করা হয়। প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন। সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ প্রথম আলোকে জানিয়ে দেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এভাবে দুজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে জেলখানায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে শহীদুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়। দলটির সদস্যসচিব জমির উদ্দিন বলেন, বাসা হামলা, পরিবারের সদস্যদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও লুটপাটের অভিযোগে শহীদুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে; পূর্বে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং পরে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। এছাড়া গত বছরের ৬ জানুয়ারি নগরের পাঁচলাইশের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি নেজাম উদ্দিনকে হেনস্তা করার অভিযোগে শহীদুলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।