patrika71
ঢাকাবুধবার - ২৬ অক্টোবর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৪৯ বছরে পা রাখলেন রবীনা ট্যান্ডন

বিনোদন ডেস্ক
অক্টোবর ২৬, ২০২২ ১১:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রবীনা ট্যান্ডন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, প্রযোজক, এবং প্রাক্তন মডেল। তিনি প্রাথমিকভাবে বলিউড চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, যদিও তিনি কয়েকটি তেলুগু, তামিল, কন্নড় ও বাংলা চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন।

আজ এই অভিনেত্রী ৪৯তম জন্মদিন। ট্যান্ডন ১৯৭৪ সালের ২৬শে অক্টোবর বোম্বে (বর্তমান মুম্বই) শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রবি ট্যান্ডন ও মাতা বীণা ট্যান্ডন। তিনি জুহুর জম্নাবাঈ নার্সি স্কুল ও মিথিবাঈ কলেজে পড়াশোনা করেন। তিনি এই কলেজে স্নাতক প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করেন, কিন্তু পরে অভিনয় শুরু করার পর তিনি আর স্নাতক সম্পন্ন করতে পারেননি। জেনেসিস পিআরে ইন্টার্ন থাকাকালীন তিনি তার প্রথম চলচ্চিত্রের প্রস্তাব পান এবং তিনি তা গ্রহণ করেন।

রবীনা ট্যান্ডনের পাত্থর কে ফুল (১৯৯১) দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ছবিটি বক্স অফিসে হিট হয় এবং এই অভিনয়ের জন্য তিনি লাক্স বর্ষসেরা নতুন মুখ হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। পরের বছর তার অভিনীত মোহরা, দিলওয়ালে, ও লাডলা চলচ্চিত্রগুলো বক্স অফিসে হিট হয়।

তৃতীয় চলচ্চিত্রটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। মোহরা ও লাডলা যথাক্রমে ১৯৯৪ সালের দ্বিতীয় ও সপ্তম সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।এই বছরে তার অভিনীত অন্য চলচ্চিত্রগুলো হল লোমহর্ষক ইমতিহান এবং কাল্ট হাস্যরসাত্মক আন্দাজ আপনা আপনা। ১৯৯৫ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে তার অভিনীত জমানা দিওয়ানা বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়।

খিলাড়িওঁ কা খিলাড়ি (১৯৯৬) এবং জিদ্দী (১৯৯৭) চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি পুনরায় সফলতা অর্জন করেন। দুটি ছবিই স্ব স্ব বছরে ব্যবসাসফল হয়।তিনি ১৯৯৭ সালে গোলাম-ই-মুস্তাফা চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন এবং ছবিটিও ব্যবসাসফল হয়। ১৯৯৮ সালে ট্যান্ডন অভিনীত আটটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। অমিতাভ বচ্চন ও গোবিন্দের সাথে তার অভিনীত বড়ে মিয়াঁ ছোটে মিয়াঁ ছবিটি সেই বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র ছিল।

ট্যান্ডন ১৯৯৮ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী কুচ কুচ হোতা হ্যায় চলচ্চিত্রে দ্বিতীয় মুখ্য অভিনেত্রী চরিত্রে কাজের প্রস্তাব পেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কাজটি ফিরিয়ে দেন।এই বছরে তার অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে ঘরওয়ালি বাহারওয়ালি গড়পড়তার নিচে ব্যবসা করে এবং বিনাশক, পরদেশি বাবু ও আন্টি নাম্বার ওয়ান বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়।

১৯৯৯ সালে ট্যান্ডন উপেন্দ্রর বিপরীতে কন্নড় ভাষার মনস্তাত্ত্বিক লোমহর্ষক চলচ্চিত্র উপেন্দ্র-এ অভিনয় করেন। একই বছর তিনি গোবিন্দর বিপরীতে বক্স অফিসে সুপারহিট আনাড়ি নাম্বার ওয়ান-এ অভিনয় করেন এবং শূল চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন।

২০০০-এর দশকে ট্যান্ডন আরও পেশাদার হয়ে ওঠেন এবং আর্ট ফিল্ম পরিচালক ও বাস্তবতাবাদী চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তিনি এই সময়ে বুলন্দি (২০০০) ও অক্ষ (২০০১) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন। রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার অক্ষ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন।

২০০১ সালে তিনি কল্পনা লাজমি পরিচালিত নাট্যধর্মী দমন ছবিতে একজন নির্যাতনকারী স্বামী আঘাতে জর্জরিত স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।সমালোচক ও দর্শক এই চলচ্চিত্রে তার কাজে বিস্মিত হন এবং তার এই কাজের প্রশংসা করেন। সমালোচক তরণ আদর্শ বলেন, “রবীনা ট্যান্ডন একজন আঘাতে জর্জরিত স্ত্রীর ভূমিকার বিশ্বাসযোগ্য চিত্রায়ন দেখিয়েছেন এবং সম্মানের সাথে তা করে গেছেন। তিনি তার অঙ্গভঙ্গির মধ্য দিয়ে যে করুণ রস প্রদর্শন করেছেন তা আপনাকে বুঝাতে সক্ষম হবে যে তিনি একজন যথাসর্বস্ব অভিনয়শিল্পী।

পত্রিকা একাত্তর / মাসুদ পারভেজ