অনলাইনের মাধ্যমে চলছে প্রতারণা, হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৪ জানুয়ারী, ২০২২, ৩ দিন আগে

অনলাইনের মাধ্যমে চলছে প্রতারণা, হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা
সংগ্রহীত ছবি | পত্রিকা একাত্তর

অনলাইনের মাধ্যমে চলছে প্রতারণা! হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে। তেমনি একটি প্রতিষ্ঠানের নাম "র‍্যাপিডক্যাশ"। যাদেন নেই কোন বৈধ কাগজপত্র।

অনলাইনে র‍্যাপিডক্যাশ কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার কথা বলে তাদেরকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ভুক্তভোগী একাধিক এই ঋণগ্রহীতা গ্রাহকদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের নানাবিধ সমস্যা ও কোম্পানির অনিয়ম-দুর্নীতির কথা। সরকারি আইন না মেনেই এইসব অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের মাঝে ঋণ দিয়ে হয়রানি করে চলেছে। তাদের ঋণের টাকা যথাসময়ে পরিশোধ করতে না পারলে পরের দিন থেকে শতকরা ৮০ শতাংশ করে লভ্যাংশ নিচ্ছে তাদের কাছ থেকে। এ ব্যাপারে তাদের ইন্টারনেট নাম্বারে যোগাযোগ করলে তারা তাদের নাম-পরিচয়, ঠিকানা কিছুই বলতে চায়না। শুধু জানায়, টাকা নিছেন - টাকা দিবেন। এর বাইরে আমরা আপনাদের আর কোনো পরিচয় দিতে চাইনা।

এইভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার গ্রাহককে প্রচারণার মাধ্যমে ভুল বুঝিয়ে প্রথমে সদস্য করে তাদের। অনলাইনে অল্প লাভে ঋণের কথা বলে টাকা দেওয়া হয়। ঋণ দেওয়ার পর শুরু হয় এসব অনলাইনে অবৈধ লাইসেন্স বিহিন র‍্যাপিড ক‍্যাশ হায়হায় কোম্পানির বানিজ‍্য। ঋণের ব্যবসা করতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক এবং মাইক্রোক্রেডিট অথরাইজ এর অনুমোদন ও কাগজপত্র নিতে হয়। 

কিন্তু এদের তার কোন টান নেই এ সকল প্রতিষ্ঠান গুলোর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম নীতি বহির্ভূত তারা তাদের এই অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিনিয়ত এই অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে অধিক লভ্যাংশ টাকা নিচ্ছে তার কিছু বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো। যেমন ধরুন একজন গ্রাহককে অনলাইন নেটের মাধ্যমে প্রথম সদস্য করা হয়। সদস্যর পর তাকে জানানো হয় ৭ দিন ৯০ দিন ১২০ দিনসহ বিভিন্ন মেয়াদে আমাদের কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ঋণ নিতে পারেন। আমাদের লভ্যাংশ অনেক কম।

এরকম নানাবিধ কথা বলে তারা প্রথমে সদস্য করায়। ঋণ দেওয়ার পর হঠাৎ তাদের কথা কাজের সাথে আর মিল পাওয়া যায় না। অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন নাম্বারে গ্রাহকদের সাথে কথা বলে তারা। গ্রাহকদের ঋণের তারিখ শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে ঋণ পরিশোধ না করতে পারলে শতকরা ৪৫ টাকা প্রতিদিন আসল টাকার সাথে লভ্যাংশ যোগ করা হয়। এত টাকা কেন নিচ্ছেন তাদের সাথে কথা বললে তারা বলে,এটা আমাদের কোম্পানির রুল। এমনি টুকটুকি, ময়না, লাবনী, সাগর, সহ অসংখ্য ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা এই সব প্রতিষ্টানের কাছে প্রতারণার শিকার। এদের খোপ্পড়ে পড়ে অনেক টাকা খুয়েছি।