patrika71
ঢাকাসোমবার - ১৭ অক্টোবর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খানসামায় ছড়িয়ে পড়ছে ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ রোগ

জেলা প্রতিনিধি, দিনাজপুর
অক্টোবর ১৭, ২০২২ ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মো. আজিজার রহমান, খানসামা () প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে গরুর প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’। এ রোগ বর্তমানে ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করেছে উপজেলা জুড়ে। গরুর এই সংক্রামক রোগে আতঙ্কিত খানসামা উপজেলার খামারি ও কৃষকরা।

এই রোগে প্রথমে গরুর গা গরম হয়ে যায়। তারপর শরীর জুড়ে ছোট ছোট মাংসপিণ্ডের মতো দেখা দেয়। কিছুদিন পর সেগুলো ফেটে রক্ত বের হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসারা দিলেও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না গরু পালনকারীরা। জানা যায়, সাধারণত মশা-মাছির মাধ্যমে রোগটি দ্রুত ছড়াতে সক্ষম। ১৯২৯ সালে আফ্রিকার জাম্বিয়াতে প্রথম এই রোগ দেখা দিয়েছিল। ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সালে ওই মহাদেশে এই রোগ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেসময় অনেক পশু মারা যায়।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে এই রোগ প্রথম দেখা যায়। রোগটি বর্ষা এবং শরৎকালে বেশি দেখা যায়। আক্রান্ত পশু জ্বরে আক্রান্ত হয়, খাবার খেতে চায়না, আস্তে আস্তে গরুর শরীরে ব্যথা হয়ে ফোসকা ওঠে। পরবর্তীতে ওই জায়গায় ঘাঁয়ের সৃষ্টি করে। এ ব্যাপারে পল্লী চিকিৎসক মো.মশিউর রহমান মুজাহিদ বলেন, এ রোগে আক্রান্ত গরু সুস্থ হতে দীর্ঘদিন সময় লাগে। খুরা রোগের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ঙ্কর এই রোগ। সাধারণত বর্ষার শেষে, শরতের শুরুতে বা বসন্তের শুরুতে মশা-মাছির বিস্তারের সময় ব্যাপক আকারে দেখা দেয় রোগটি।

মশা-মাছি ও খাবারের মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুর দেহে এ ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়। তাই আক্রান্ত পশুকে আলাদা স্থানে রেখে চিকিৎসা দেবার পরামর্শ দেন তিনি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, এই রোগ আগে অনেক বেশি দেখা দিয়েছিল, এখন অনেক কম। এটি সাধারণত বর্ষাকালে দেখা দেয়। দিনাজপুর জেলার অন্যান্য উপজেলায় থেকে খানসামা উপজেলায় এই রোগের প্রকপ এখনো কমে আসছে।

তবে এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ হলেও এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ রোগ প্রতিরোধে পশু মালিকদের সচেতন করতে উঠোন বৈঠকসহ রোগ নিরাময়ে পরামর্শ প্রদান করছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ। তিনি আরও বলেন, যদি কোনো বাড়িতে কিংবা খামারে অসুস্থ গরু থাকে তাহলে সেটিকে অবশ্যই আলাদা রাখতে হবে। এবং মশারি টানিয়ে রাখতে হবে যাতে মশা বা মাছি তার শরীরে বসে অপর সুস্থ গরুর মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে।

পত্রিকা একাত্তর / আজিজার রহমান