patrika71 Logo
ঢাকাশনিবার , ২০ মার্চ ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নবাবগঞ্জে বাড়ির ছাদে সিজারিয়ান গার্ডেন

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
মার্চ ২০, ২০২১ ৬:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার তর্পণ ঘাট এলাকায় সড়ক ঘেঁষে মাহমুদুন নাবী সিজারের তিনতলা বাড়ি। বাড়ির সামনে আসতেই চোখ আটকে যায়। আস্ত বাগান মাথায় নিয়ে যেন দাঁড়িয়ে আছে বাড়িটি। সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠে এলে নিজের চোখকেও বিশ্বাস হয় না। এ যে ছাদের ওপর রীতিমতো উদ্যান!

নবাবগঞ্জের মানুষজনের কাছে সিজার পরিচিত নাম। লোকজন তাঁকে ইঞ্জিনিয়ার সিজার নামেই চেনে। তার উদ্যান বা নার্সারি টির শুরু গত ২০২০ সালের মার্চ মাসের দিকে এখন তার গার্ডেনের বয়স এক বছর আর এই এক বছরে তিনি মোটামুটি বিভিন্ন ফল ফুল ও সবজির গাছ সংগ্রহ করেছেন।

আজ২০শে মার্চ ২০২১ইং শনিবার ছাদের বাগান দেখতে যাওয়া হয় তাঁর বাড়িতে। বাড়ির আঙিনা জুড়ে নানা জাতের ফল,ফুলে ও সবজির গাছ। সিঁড়িঘর এবং প্রতিটি তলার বারান্দায় টবে গাছ ও মাটির হাঁড়িতে পাখির বাসাও দেখা গেল। তবে চোখ জুড়িয়ে যায় ছাদে প্রবেশ করতেই। প্রায় দুই হাজার বর্গফুটের ছাদজুড়ে সিমেন্টের টবে শোভা পাচ্ছে নানা জাতের গাছ। ফল এসেছে স্ট্রবেরি, পেঁপে, পেয়ারা ও আমগাছে।

সিজার বলেন, তাঁর ছাদের বাগানে ৫০ প্রজাতির ১০০-১৫০টি গাছ আছে। গাছে কোনো রাসায়নিক সার ও কীটনাশক দেন না বলে তাঁর উৎপাদিত ফল ও সবজি বিষমুক্ত।

সিজার বলেন, তাঁর বাগানে দেশি-বিদেশি ফলের মধ্যে আংগুর,ড্রাগন,রামবুটান,মালবেরি,কলা,লেবু,আম, নারিকেল,জলপাই, পিয়ারা,লাল,পিয়ারা,জামবুরা,শরিফা,আতা,কাঠাল,পেঁপে,লিচু,লটকন,বেল,কদবেল,আমলকী,আনার,আমড়া,বরই,মালটা,কমলা,স্ট্রবেরী,চায়না কমলা,অল ইসপাইসি,কদবেল,গ্যান্ডারি রক মেলন,লাল জামরুল, বারোমাসি আম, আম্রপালি, মধু পেয়ারা, কাজি পেয়ারা, কাঞ্চননগরের পেয়ারা, লটকন, বারোমাসি লেবু, ডালিম, আপেল কুল
এসব রয়েছে।

ফুলের মধ্যে রয়েছে গোলাপ, নয়নতারা, পাতাবাহার, নাইটকুইন, বাগানবিলাস, বেলি, অপরাজিতা, লিলি সূর্যমুখী। এ ছাড়া ঔষধি গাছের মধ্যে ঘৃতকুমারী, তুলসী, পাথরকুচি, বাসকপাতা, শিমুল, থানকুনি ইত্যাদি।

সিজার বলেন, তিনি প্রতিদিন ভোরে এবং বিকেল পাঁচটার দিকে ছাদে চলে যান বাগান পরিচর্যা করার জন্য। গাছের চারা রোপণের সময় তিনি গোবর ও মুরগির বিষ্ঠা দেন সার হিসেবে। অন্য কোনো সার বা কীটনাশক ব্যবহার করেন না।

সিজার আরও বলেন, বাগান করা তাঁর শখ। বিষমুক্ত ফল তিনি নিজে খান এবং আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের দেন। ছাদের বাগানে মিটছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের পুষ্টির চাহিদাও। জার, যেখানেই নতুন জাতের ফল বা ফুলের গাছ দেখেন, তার চারা সংগ্রহের চেষ্টা করেন বলে জানালেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বলেন, বাগানের জন্য যে বিশাল জমির প্রয়োজন হয় না, তা সিজার প্রমাণ করলেন। তাঁকে দেখে এলাকার বহু মানুষ এ ধরনের বাগান তৈরিতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

ইসাহাক আলী সবুজ রানা/ 

ad