patrika71 Logo
ঢাকাশনিবার , ৭ আগস্ট ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কিভাবে প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন?

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
আগস্ট ৭, ২০২১ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

আজকের আর্টিকেল এর বিষয় হচ্ছে কিভাবে আপনি খুব সহজেই একটি প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন। আসলে মূল কথা হলো প্রফেশনাল কিংবা আনপ্রফেশনাল বলতে কিছুই নেই এখানে, চ্যানেল খোলার সময় কিছু পদক্ষেপ রয়েছে যেগুলো আপনাকে জানতে হবে বুঝতে হবে তাহলেই আপনি একটি ইউটিউব চ্যানেল ভালোভাবে তৈরি করতে পারবেন।

প্রথমেই আপনার একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হবে, আমি আশা করব আপনার অবশ্যই একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আর যদি না থাকে তাহলে একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিবেন। আশাকরি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন।

যেহেতু আমরা ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েট করব, সুতরাং আমাদের প্রথমে যেতে হবে এই লিংকে YouTube.com এ, ইউটিউবে আসার পরে উপর থেকে Sing In এ ক্লিক করবেন। এরপরে আপনার যে ইমেইল এড্রেসটি রয়েছে সেটি এখানে লগইন করবেন। কংগ্রাচুলেশন্স! আপনি ইতিমধ্যে জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করে ফেলেছেন।

চলুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি নিয়ে বিস্তারিত জানি!

তবে হ্যা, আপনার এই জিমেইল টি যদি অনেক পুরনো হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে সম্ভবত আপনার এই জিমেইল এ কোন একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা থাকতে পারে। তবে হ্যা আপনার যদি চ্যানেল খোলা থাকে কিংবা খোলা নাও থাকে তার পরেও আপনি আপনার জিমেইল আইকনে ক্লিক করে চলে আসবেন ‘YouTube Studio” অপশনে। আপনার যদি অলরেডি একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা থাকে তাহলে নিচের দেয়া পিকচারের মত ওই রকম অপশন আসবে না।

আদার ওয়েজ, আপনার যদি ইউটিউব চ্যানেল খোলা না থাকে তাহলে উপরে দেয়া পিকচারের মতো ওই পেইজটি আসবে। এখান থেকে আপনি নতুন চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন।

অনেকেরই প্রশ্ন হতে পারে পূর্বে আমার একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা আছে, আমি কি ওটাতেই কাজ করব? নাকি নতুন করে আরেকটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে নিব?

উত্তরঃ আপনার যদি পূর্বে কোন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি সেটাতেই কাজ শুরু করতে পারেন। নতুন করে আপনাকে চ্যানেল তৈরি করার কোন দরকার নেই।

এখন যে প্রসেস গুলো রয়েছে সেগুলো যাদের পূর্বে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা নেই তাদের জন্য। উপরে যে স্কিনশট রয়েছে সেটি খেয়াল করলে দেখা যাবে ‘ফাস্ট নেইম’ এবং ‘লাস্ট নেইম’ দেয়ার অপশন রয়েছে। এখানে কিন্তু আপনি শুধুমাত্র ফাস্ট নেইম অপশনে ক্লিক করে শুধু নাম দিয়ে চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন না। আপনাকে ফার্স্ট এবং লাস্ট দুটো ঘর পূরণ করতে হবে।

এখন আপনার চাওয়া হতে পারে শুধুমাত্র একটা ওয়ার্ডে চ্যানেল নাম তৈরি করা। সেক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে তা হচ্ছে “ব্রান্ড একাউন্ট” অথবা “বিজনেস একাউন্ট”। যে বিষয়টা উপরেই বলা হয়েছিল ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য প্রফেশনাল কিংবা আনপ্রফেশনাল কোন মাধ্যম নেই, কিন্তু কিছু বিষয় আছে যেগুলো মাথায় রাখলে পরবর্তীতে কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না, ধরে নিতে পারেন এটাই প্রফেশনাল মাধ্যম।

এখন বিষয় হচ্ছে আপনি “পার্সোনাল একাউন্ট” তৈরি করবেন নাকি “ব্রান্ড কিংবা বিজনেস একাউন্ট” তৈরি করবেন?

পার্সনাল এবং বিজনেস চ্যানেল এর পার্থক্য!

এটা বোঝার জন্য আমি এক্সাম্পল হিসেবে ফেসবুক বুঝাচ্ছি। ফেসবুকে পার্সোনাল প্রোফাইল আছে এবং পার্সোনাল প্রোফাইল থেকে পেইজ তৈরি করা যায়। সুতরাং ফেসবুকে পার্সোনাল প্রোফাইল এবং পেইজ দুটোই রয়েছে। এখন ফেসবুকে প্রোফাইল এবং পেজের মধ্যে যেমনটা ডিফারেন্স ঠিক সেরকম ভাবে ইউটিউব এ পার্সোনাল চ্যানেল এবং ব্র্যান্ড অথবা বিজনেস চ্যানেলের মধ্যে একই ডিফারেন্স রয়েছে। তবে ফেসবুকের মধ্যে যে ফিচার গুলো রয়েছে সেগুলো কিন্তু আবার ইউটিউব এর মধ্যে থাকে না। ব্র্যান্ড কিংবা বিজনেস চ্যানেলে আপনি মাল্টিপল পার্সন কিংবা ইমেইল এড করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি চাইলেই আপনার টিমের সদস্যদের অ্যাড করতে পারবেন, ম্যানেজার অ্যাড করতে পারবেন। এই সুবিধাটা আপনি পার্সোনাল চ্যানেলে পাবেন না।

আরো পড়ুনঃ

বিশেষ সুবিধা হচ্ছে, ব্র্যান্ড কিংবা বিজনেস অ্যাকাউন্ট যদি হ্যাক হয়েও থাকে সেগুলো রিকোভারি করার জন্য অনেকটা সহজ হয়ে থাকে, যেটা পার্সোনাল একাউন্ট থেকে করা যায় না। যদিও এখানে কিছু সিকিউরিটি মেজারমেন্ট আগে থেকে নিয়ে রাখতে হয়।

“আমাদের থেকে রিকোয়ারমেন্ট থাকবে ব্র্যান্ড কিংবা বিজনেস একাউন্ট তৈরি করার জন্য।”

যাদের পুরনো চ্যানেল রয়েছে অর্থাৎ যাদের অলরেডি চ্যানেল খোলা আছে পার্সোনাল একাউন্টে, তারা সহজ পদ্ধতিতে পার্সোনাল চ্যানেলটি ব্র্যান্ড চ্যানেলে নিয়ে আসতে পারেন। কিভাবে একটা পার্সোনাল চ্যানেল ব্র্যান্ড চ্যানেলে নিয়ে আসবেন সেটা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ভিডিও ইউটিউবে রয়েছে।

ব্র্যান্ড চ্যানেল খোলার প্রসেস আবারও শুরু করছি!

উপরের দেয়া স্ক্রীনশট ফলো করলে দেখা যাবে নিচের দিকে লেখা আছে “use a business or other name” এই অপশনে যদি আমরা ক্লিক করি তাহলে নিচের দেওয়া স্ক্রীনশটএর মত একটা পেইজে নিয়ে আসবে।

এখানে লেখা আছে “ব্রান্ড একাউন্ট নেম“এখানে আপনি যেকোন নেইম ব্যবহার করতে পারেন। সেটা হতে পারে একদম ছোট নেই মাত্র ১ ওয়ার্ড কিংবা তার চেয়ে বড় সবগুলো এখানে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। এখন এখানে নাম দিয়ে আপনি যদি ক্রিয়েট লেখাতে ক্লিক করেন তাহলে কিন্তু আপনার চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। অর্থাৎ এখন আপনার চ্যানেল টি ব্রান্ড একাউন্টে তৈরি হচ্ছে।

নিচের দেওয়া স্ক্রীনশটএর মত আসলে মনে করবেন আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে গেছে।

এখন আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল টিকে আপনার মত করে কাস্টমাইজেশন করে নিতে পারেন।