patrika71 Logo
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ জুন ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিয়ানমারের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ রাশিয়ার

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
জুন ২৪, ২০২১ ১০:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

ইফতেখার নাঈম তানভীর : রাশিয়ায় সামরিক অভিবাদন নিচ্ছেন মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তার পাশে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শোইগু। ছবি রয়টার্স থেকে নেওয়া রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, মস্কো মিয়ানমারের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ জেনারেল মিন অং হ্লাইংকে মঙ্গলবার তিনি একথা বলেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ।

“আমাদের দুই দেশের মধ্যে যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস আছে তার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের প্রচেষ্টায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ,” মঙ্গলবারের বৈঠকে শোইগু এমনটাই বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থাটি।

একটি নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে হ্লাইং চলতি সপ্তাহে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে যান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারের ক্ষমতায় বসা সামরিক জান্তার শাসনামলে নেপিডোর সঙ্গে মস্কোর একের পর এক দ্বিপাক্ষিক সফর ও অস্ত্রচুক্তি হয়েছে। এর মাধ্যমে রাশিয়া মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে বৈধতা দিচ্ছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের।

অভ্যুত্থানের পর এ বছরের মার্চেই রাশিয়া মিয়ানমারে বেসামরিক নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ জানিয়েছিল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হয়েছে। মস্কো মিয়ানমারের সেনাদের নানান ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে, তাদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পেয়েছে হাজার হাজার সৈন্য।

পশ্চিমা বেশ কয়েকটি দেশ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে কালো তালিকাভুক্ত করলেও রাশিয়া তাদের কাছে সমরাস্ত্রও বিক্রি করে আসছে।

মঙ্গলবার শোইগু-হ্লাইংয়ের এ বৈঠক মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে বলে আশঙ্কা পশ্চিমা বিশ্লেষকদের।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর থেকে টানা বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও আইন অমান্য আন্দোলন চললেও তা সামরিক জান্তাকে একচুলও টলাতে পারেনি। উল্টো যতদিন গেছে সামরিক বাহিনীর নিপীড়নের মাত্রাও ততই বেড়েছে।

দেশটিতে অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটশ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের ঘটনাবলীর ওপর নজর রাখা একটি গোষ্ঠী।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে অভ্যুত্থানবিরোধী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষেরও খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ad