patrika71 Logo
ঢাকারবিবার , ১১ জুলাই ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কবিতা
  10. করোনাভাইরাস
  11. কৃষি
  12. খেলাধুলা
  13. চাকরী
  14. জাতীয়
  15. টেকনোলজি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফ্রীফায়ার ও পাবজি গেমে বেশি আসক্ত শিশু কিশোররা

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
জুলাই ১১, ২০২১ ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

করোনার কারনে গত বছর মার্চ-২০২০ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বাসায় পড়াশুনোর চাপ থাকলেও শিশু-কিশোররা পড়াশুনা না করে মোবাইল গেম ফ্রীফায়ার ও পাবজিতে আসক্ত হয়ে পড়েছে সব থেকে বেশি।

শহর থেকে গ্রাম বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সরেজমিন খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কিশোররা বিভিন্ন স্কুল মাঠ, ফাঁকা জায়গা এবং বাজারের অলিতে গলিতে থাকা চায়ের দোকানগুলোতে এক সাথে অনেকে বসে কানে এয়ারফোন লাগিয়ে মোবাইলে ভিডিও গেইম খেলছে।

প্রসজ্ঞত, ফ্রি-ফায়ার বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইলন গেম। বর্তমানে কয়েকগুণ বেড়েছে এই গেমের জনপ্রিয়তা। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে খেলা যায় এই গেম। তবে ফ্রি-ফায়ার কম্পিউটার ভার্সনের থেকে মোবাইল ভার্সনটিই বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এটিতে বেশী আসক্তি হয়েছে শিশু, কিশোর ও তরুণরা।
পাপজি নামক আরো একটি জনপ্রিয় গেম আছে। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ ল থাকলে অনায়াসে যে কোন যায়গায় বসে এই গেম খেলা যায়।

গেমগুলো অনেক সময় টাকা দিয়ে কিনে খেলতে হয়। শিশু-কিশোররা পরিবার থেকে অনেক সময় টাকা লুকিয়ে নিয়েো আসে। গেম খেলার জন্য টাকা না পেলে শিশু-কিশোররা অনেক সময় বিপথে পা বাড়ায় যার মধে বর্তমানে সবথেকে আলোচিত কিশোর গ্যাং। কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা সামান্য কিছু অর্থের জন্য অনেক সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে।

সচেতন মহল বলছেন, করোনায় স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার কারণে শিশু কিশোররা বেশী এ ধরনের কাজে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।

খেলার এক পর্যায়ে এসে তারা ভায়োলেন্ট হয়ে যেতে পারে।

এই গেম অতিরিক্ত খেলার কারণে চোখের সমস্যাও হতে পারে। আর সেই সাথে দেখা দেয় ঘুমের ঘাটতিও। মোবাইলের স্ক্রিনে বেশি সময় ধরে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর চোখের সমস্যার সাথে সাথে ঘুমেরও ঘাটতিতে পড়ে এই গেম খেলা মানুষগুলি। অনেক সময় তারা মানসিক রোগে ভূগতে থাকে।

আবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও অনলাইন গেম সম্পর্কে ঠিকমতো ধারণা না থাকায় অভিভাবকেরাও সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখতে পারেন না। তাই সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষ করে অভিভাবকদের ছেলেমেয়েদের বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

এমডি জিলহজ খান : কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি