patrika71
ঢাকাশুক্রবার - ৪ নভেম্বর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাউবো’র জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গভীর রাতে চলে কর্মজজ্ঞ

স্টাফ রিপোর্টার
নভেম্বর ৪, ২০২২ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বরগুনার আমতলী উপজেলার গাজীপুর বন্দরের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)র জায়গা অবৈধভাবে দখল করে তোলা হচ্ছে স্থাপনা। আরসিসি পিলার করে কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি বেদখল করা হচ্ছে এতে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে (পাউবো)র কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

স্থাপনা নির্মাণের সময় অবৈধ দখল বলে হুঙ্কার দিলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক ভাবে রয়েছে তারা নীরব। নির্মাণ কাজ শুরুর সময়ে পাউবো কর্তৃপক্ষ অবৈধ স্থাপনা পঅপসারণের জন্য মো.নূর আলম হাওলাদারকে নোটিশ প্রদান করেন। এরপর আর পাউবো কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।

স্থানীয় সূত্র বলছে, আমতলী উপজেলার গাজীপুর মৌজায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন (পাউবো)র জায়গা যে যার মতো অবৈধভাবে দখল করে নিচ্ছে। মো. নূর আলম হাওলাদার পাউবোর গাজীপুর মৌজা জে এল ২৪ খতিয়ান ২৮৯ দাগ ১৩৪৫ এর ০.০৩ একর জায়গা অবৈধভাবে দখল করে স্থায়ীভাবে পাকা ভবন নির্মানের কাজ প্রায় শেষের পথে। অথচ তাদের কাছে (পাউবো) র কোনো কাগজপত্রই নেই। কিন্তু কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাতে চালিয়ে যাচ্ছে এ অবৈধ কর্মজজ্ঞ । এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চলছে নীরব ক্ষোভ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী পএিকা একাওর কে জানান, পাউবোর কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকলেও কিভাবে তারা এ ধরনের অবৈধ দখল করে যাচ্ছে তা বোধগম্য নয়। এমনকি দখলদাররা রাতের আঁধারে নির্মান করছে বিশাল আকৃতির দোকান ঘর। এবিষয়ে আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। এ বিষয় কেউ কিছু আমাকে জানায় নাই।

পাউবোর আমতলী ও গাজীপুর শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী সৌরভ মন্ডল বলেন, মৌলিক ভাবে কয়েক বার নিষেধ করা হলেও অবৈধভাবে নির্মাণ কাজ চালিয়েছে তারা। আমরা ডিসি স্যারের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাওয়ার আবেদন করব, পেলেই উচ্ছেদ অভিযান চালাবো।

গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার্স ইনচার্জ দিবাকর রায় বলেন, রাতের আঁধারে কাজ চলছে এ ব্যপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। এ ধরনের কোন কাজ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে নুরে আলম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্যারের আইছিলো, তারা কইছে ইট বালি দিয়া কাম কইরেন না। আর ঘরতো করাই হইয়া গেছে এখন আর কি করার। পরে হ্যাগো চা- পান খাওনের খরচ দিয়া দিছি। স্যারেরা আইছে খালি হাতে তো আর ফেরত দেওন যায় না।

পত্রিকা একাত্তর / মনিরুল ইসলাম