patrika71
ঢাকাবুধবার - ২ নভেম্বর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিকট অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
নভেম্বর ২, ২০২২ ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বানিয়াচং উপজেলার সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ সুলতান আহমেদ ভূইয়ার বিরোদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শিক্ষার্থীরা স্ব-শরীর হাজির হয়ে অভিযোগ জানান।

ওই অধ্যক্ষ অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য ১ হাজার টাকা করে অর্থ আদায়ের জন্য পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটক করে দেন।এই বিষয়টি মানতে না পেরে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ জানান। এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রতিষ্টানটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদ্মাসন সিংহ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে তাদের হাতে প্রবেশপত্র তুলে দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ পেয়েও অধ্যক্ষ পরীক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র তুলে দেন নাই।

সূত্রে জানা যায়, আগামী ৬ নভেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্টিত হইবে। বানিয়াচং উপজেলার সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবেন ৩শ ৩৩জন শিক্ষার্থী। ৬ নভেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের বেতন পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে।অথচ আগস্ট মাস থেকে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ রয়েছে।

কলেজ থেকে কোচিংয়ের জন্য ১ হাজার করে টাকা ধার্য্য করা হলেও কোন অতিরিক্ত ক্লাস না করালেও প্রবেশপত্র আনার জন্য কলেজে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারেন অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য অতিরিক্তভাবে ১ হাজার করে টাকা দিতে হবে। যারা অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা না দিতে পারবে তারা প্রবেশপত্র পাবেন না বলে অধ্যক্ষ সুলতান আহমে ভূইয়া নির্দেশ প্রদান করেছেন। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে অবহিত না করেই অধ্যক্ষ এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী জানান,আমাদের পরিবারে ঠিকমত খাবারই পায়না পরিবারের লোকজন। অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা আমি কিভাবে দিব আমার জানা নাই। অন্য আরেক শিক্ষার্থী জানান,আমাদের কোচিং বাধ্যমূলক না। এছাড়াও আমাদের পরীক্ষা আরও আগেই হওয়ার কথা ছিল। তবুও আমরা ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বেতন দিয়েছি। আমাদের ক্লাস বন্ধ রয়েছে আগস্ট মাস থেকে।আমাদেরকে কোন রকম অতিরিক্ত ক্লাস করানো হয় নাই।

এ ব্যাপারে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সুলতান আহমেদ ভূইয়ার সাথে মুঠোফোনে য়োগাযোগ করার জন্য বারাবর ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। এ ব্যাপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদ্মাসন সিংহ বলেন,এই বিষয়টি পরীক্ষাথীরা আমাকে জানিয়েছেন। পরে আমি অধ্যক্ষকে কোন টাকা ছাড়াই প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।

পত্রিকা একাত্তর / আকিকুর রহমান রুমন