patrika71
ঢাকাবৃহস্পতিবার - ৫ জানুয়ারি ২০২৩
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অপহরণ ও মুক্তিপন আদায়কারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি, চট্রগ্রাম
জানুয়ারি ৫, ২০২৩ ১০:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে যুবতী নারী দিয়ে কৌশলে অপহরণ, মুক্তিপন আদায়কারী ও চাঁদাবাজ চক্রের মূলহোতাসহ ০৩ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।

চট্টগ্রাম নগরীতে দীর্ঘদিন যাবৎ একটি চক্র জন সাধারণকে জিম্মি করে যুবতী নারীদেরকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে অপহরণ করে চাঁদা দাবীসহ বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় ভিকটিমদের কেউ আইনগত প্রতিকার চাইনি।

এরই ধারাবাহিকতায় বিগত ২৬/১২/২০২২ ইং তারিখ একজন ভিকটিম মো. মহসিন(৩৭) কে পাঁচলাইশ থানাধীন হিলভিউ ২নং রোড এলাকায় চক্রটি ভিকটিম মো.মহসিন (৩৭) কে অপহরণ করে জিম্মি করে তার নিকট হতে ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ টাকা) দাবী করে এবং বিকাশ/নগদ এর মাধ্যমে ৪০,০০০/-(চল্লিশ হাজার) টাকা আদায় করে।একই চক্র একই প্রক্রিয়ায় অপর ভিকটিম খোকা মারমা (৩২)কে গত ৩০/১২/২০২২ ইং তারিখ মুরাদপুর হতে অপহরণ করে বিকাশের মাধ্যমে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা আদায় করে।

পাঁচলাইশ মডেল থানায় ভিকটিমদ্বয়ের অভিযোগের অভিযানে নামে এসআই/লুৎফর রহমান সোহেল এর নেতৃত্বে এসআই/কুদ্দুসসহ একটি চৌকস টিম। পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.নাজিম উদ্দিন তালুকদারের নির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পাঁচলাইশ, বায়েজিদ ও চাঁন্দগাও থানায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে চক্রটির মূল হোতা মো.সজিব (২২), সাকিব (২১) ও সুমন (২০) কে আটক করে।

ভিকটিম মো.মহসিন (৩৭) ও খোকা মারমা(৩২) পুলিশের হাতে আটক চক্রটির ০৩ জন সদস্যকে সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার ভিকটিমের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচলাইশ থানার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৫/০১/২০২৩ ইং, ধারা-৩২৩/৩৬৫/৩৮৪/
৩৮৫/৩৪ পেনাল কোডে রুজু হয়।

জানা যায়,চক্রটির মহিলা সদস্য একজন ভিকটিমকে টার্গেট করে তাকে চোখের ইশারায় অথবা মোবাইল নিয়ে কথা বলার নাম করে ভিকটিমকে অসামাজিক মেলামেশার প্রস্তাব দিয়ে সিএনজিতে করে নির্জন স্থানে নিয়ে যেতে প্রলুব্ধ করে। সিএনজি করে নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তাদের অন্যান্য এক বা দুইজন সদস্য সিএনজিতে উঠে ভিকটিমকে নিয়ে নির্জনস্থানে নিয়ে যায়। ভিকটিমকে সব সদস্য মিলে মারধর করে চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে না পারলে মারধর করে এবং বিকাশ অথবা নগদের মাধ্যমে দাবীকৃৃত চাঁদার টাকা আদায় করে।

উপরোক্ত বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজিম উদ্দিন মজুমদার এই প্রতিবেদককে জানান, আমার থানায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি কঠোরভাবে আমলে নিই। পাঁচলাইশ থানা পুলিশের বিশেষ টিম গুরুত্ব সহকারে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধীদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থার নির্মিতে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

পত্রিকা একাত্তর/ ইসমাইল ইমন