patrika71 Logo
ঢাকাবুধবার , ১১ আগস্ট ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রসালো আম যদি হয় বারো মাস

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
আগস্ট ১১, ২০২১ ৩:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

সন্ধান পাওয়া গেছে বারোমাসি নতুন জাতের রসালো আমের। শখের বসে লাগানো আম গাছ এখন ব্যবসায়ী পর্যায়ে রুপ ধারন করতে যাচ্ছে আমের রাজধানী হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে।

উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের রোকনপুর গ্রামের নাজমুল হক নামের এক আম চাষীর বাগানে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এবং তিনি জানান সেখানে বারোমাসি নতুন জাতের আম গাছগুলোতে বছরের প্রতিদিন মুকুলের দেখা মেলে। বাজারে আমের সময়ে যে সমস্ত জাতের আম পাওয়া যায় সে আমগুলো স্বাদের দিক দিয়ে অন্যরকম কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময়েই এ আমগুলো পাওয়া যায়। ভোক্তাদের সুবিধার্থে বারোমাসি আম এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। উপজেলায় এ জাতের আমের দেখা প্রথম মিলেছে। বারোমাসি আমের মধ্যে কাটিমন ও বারি-১১ আম অন্যতম। এ জাতের আমগুলো বেশ কয়েক বছর ধরে বাজারে দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে যে জাতের আম পাওয়া গেছে এটি সম্পূর্ন আলাদা জাতের। কারণ এর ফলন খুব বেশী। এ আমের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে
একসাথে গাছে আমও মুকুল ধরে। তিনি আরও জানান, প্রায় ১০ বছর আগে আমার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে বিদেশি জাতের এ গাছের চারা পেয়েছিলাম। এ গাছগুলো থেকে আমি গাছের চারা তৈরী করে বিক্রি করে যাচ্ছি। একটি চারা ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করি। এখন পর্যন্ত এই আমের নাম আমার জানা নেই। তবে কৃষি অফিস থেকে এ আমের নাম দিয়েছে স্যান্ডি। গাছগুলোর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, প্রতিদিনই মুকুল ফুটে, একটি থোকায় অনেকগুলো আম আসে, আমের ভিতর আঁশ নেই, খেতে খুব সুস্বাদু ও মিষ্টি। এর এক একটির ওজন ৫০০ থেকে ৬৫০ গ্রাম। আমের ত্বক খুব পাতলা হলেও সেটি অনেক মিস্টি। আর এ আমের ত্বক হলদে হলে খাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠে। তিনি আরো বলেন, আমগুলো পরিপক্ক হতে ক্ষিরসাপাত ও গোপালভোগ আমের মত সময় লাগে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সীমা কর্মকার জানান, কৃষক নাজমুল হকের বাগানে যে বৈশিষ্ট্যের আমগুলো দেখেছি ইতিপূর্বে আমি তা দেখি নাই।
আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, একটা থোকায় লিচুর মতো অনেকগুলো আম ধরে। আর প্রতিদিনই মুকুল আসে। একটি মুকুল ভেঙে ফেললে সেটি আবার হয়। আমচাষীর ভাষ্যমতে আমরা ধারণা করছি এবং বিভিন্ন বই-পুস্তক পড়ে জানতে পেরেছি এটি
স্যান্ডি আমের জাতের মতো।
এ ব্যপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নিয়ে এসে আমচাষী নাজমুল হক পরীক্ষামুলকভাবে গাছের চারাটি রোপণ করে ভাল সাড়া পেয়েছেন। আমের ফলন ও পারিপার্শিকতা বিবেচনা করে স্থানীয়ভাবে এ আমের নাম দেয়া হয়েছে স্যান্ডি। আমচাষীরা এ জাতের আম চাষ করলে ভাল ফলাফল পাবে বলে আমি আশাবাদী এ ছাড়াও আমের পরিচর্যায় আমচাষীদের সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন

ইয়াহিয়া খান রুবেল
গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ad