patrika71
ঢাকাসোমবার - ৩১ অক্টোবর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মুষলধারে বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে একের পর এক ডুবছে হাওর

ডেস্ক নিউজ
অক্টোবর ৩১, ২০২২ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে এক সপ্তাহ যাবৎ লাগাতার মুষলধারে অতিবৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যার পানি ক্রমাগত হাওরে ঢুকে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে চলছে।



কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পাড় উপচে ও কৈয়ারঢালার বাধ ভেঙ্গে বোনা আমনের জমি গুলো তলিয়ে গেছে।কুশিয়ারা নদীর তীরে ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের মাকুর্লি বাজার ইতিমধ্যে তলিয়ে গেছে।



এছাড়াও এই ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকার লোকজন পানিবন্দী হয়ে পড়ছেন।

১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের আতুঘুড়া দিয়েও হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর পানিও ঢুকতে শুরু করেছে।



অপরদিকে ১৩নং মন্দরী ইউনিয়নের আগুয়-কাউরাকান্দি রাস্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে তলিয়ে গেছে।




এমনকি বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ছেন।পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বানিয়াচং উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।




এসব এলাকা পর্যবেক্ষন করতে আসেন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী,বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ সার্কেল পলাশ রঞ্জন দে এবং বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)এমরান হুসেনসহ একদল পুলিশ নিয়ে আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচংয়ের বিভিন্ন বন্যা আশংকা বিরাজমান অবস্থান ও পানিবন্দী মানুষের স্হান গুলো পরিদর্শন করেন।




এবং উভয় থানা ও বিথঙ্গল পুলিশ ফাঁড়ি পুলিশদের এসব মোকাবেলা করতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ দেন পুলিশ সুপার মুরাদ আলী।

এদিকে বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসন থেকে ইতিমধ্যে দৌলতপুর ইউনিয়নের বন্যার্থদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া নির্দিষ্ট বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও উপজেলা প্রশাসন থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।



এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন,সার্বিক পরিস্থিতি আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। আশ্রয়ন কেন্দ্রগুলো প্রস্তত রয়েছে। প্রয়োজন হলে বিভিন্ন বিদ্যালয় বন্যার্থদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।বন্যার্থদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবারের ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে।



পত্রিকা একাত্তর /আকিকুর রহমান রুমন