patrika71 Logo
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৪ নভেম্বর ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হৃদরোগ চিকিৎসার এনজিও প্লাস্টিতে নতুন মাত্রা যোগ করলেন ডা. অমল

পত্রিকা একাত্তর ডেস্ক
নভেম্বর ৪, ২০২১ ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

হার্ট অ্যাটাক এক নীরব ঘাতক। যে কেউ যেকোনো সময় এর শিকার হতে পারেন। হার্টের চিকিৎসার জন্য স্টেন্টিং বা রিং লাগানো চিকিৎসা হার্টের রক্তনালীর ব্লক বা স্টেনোসিস চিকিৎসার একটি আধুনিক পদ্ধতি। এতে রক্তনালীর ব্লক বেলুন দিয়ে ফুলিয়ে তার ওপর একটি রিং বা স্টেন্ট বসিয়ে দেয়া হয়। ফলে রক্তনালীর পুনরায় ব্লক হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। এই রিং অতি সূক্ষ্ম তারের তৈরি কলমের রিংয়ের মতো দেখতে, যা বেলুন দিয়ে ফুলালে রক্তনালীর গায়ে আটকে থাকে।

বর্তমানে এ চিকিৎসা ব্যবস্থায় দুইটি রিং ব্যবহার না করে হার্টের রক্তনালীতে সর্বোচ্চ লম্বা/দীর্ঘ ও ক্রমান্বয়ে সরু স্টেন্ট প্রতিস্থাপন করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট হাসপাতালের প্রফেসর ডা. অমল কুমার চৌধুরী।

আরো পড়ুনঃ  করোনা সময়ে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ‍্য বিতরণ

গত ২৩ অক্টোবর ঔষধ প্রশাসন এর অনুমতি সাপেক্ষে দেশে প্রথমবারের মতো ৩৭ বছর বয়সী এক রোগীর হার্টের রক্তনালীতে একটি বায়োমাইম মরফ ৬০ মি.মি. দীর্ঘ স্টেন্ট সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেন তিনি। বর্তমানে সেই রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন।

ডা. অমল কুমার চৌধুরী জানান, হার্টের রক্তনালীতে দীর্ঘ ব্লক হওয়ার কারণে যেখানে দুইটি স্টেন্ট বা রিং এর প্রয়োজন হয়, সেখানে একটি লম্বা দীর্ঘ স্টেন্ট বা রিং প্রতিস্থাপন করায় রোগীদের আর্থিক সাশ্রয় হচ্ছে এবং এ ধরণের চিকিৎসার জন্য রোগীদের আর বিদেশে গমনের প্রয়োজন হবে না। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং এর মাধ্যমে দেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় নতুন মাত্রা যোগ হলো।

আরো পড়ুনঃ  বাংলাদেশকে আরও ৯০ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সুইজারল্যান্ড

তাঁর এ সফলতায় সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশ-বিদেশের হৃদরোগ চিকিৎসকরা।

প্রসঙ্গত, হার্টের রক্তনালীতে ব্লকেজ হলে রক্তনালী সরু হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে হার্টের মাংসপেশি পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন ও খাবার পায় না। ব্যায়াম বা অধিক পরিশ্রমের সময় যখন অক্সিজেন ও খাবারের চাহিদা বেড়ে যায় তখন রক্ত সরবরাহ না বাড়লে এক ধরনের তীব্র বুকে অস্বস্তি বা ব্যথা করে যাকে এনজাইনা বলে। এছাড়া রক্তনালীর চর্বির স্তর ফেটে গিয়ে এর ওপর রক্তের দানা জমা হয়ে রক্তনালী আংশিক বা পুরো বন্ধ হয়ে একিউট করোনারি সিনড্রোম হতে পারে। এদের কষ্ট বা মুত্যুঝুঁকি এড়ানোর জন্য এনজিওগ্রাম করে এনজিওপ্লাস্টি বা স্টেন্টিং অপারেশন করতে হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট।