patrika71 Logo
ঢাকারবিবার , ২৭ জুন ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কবিতা
  10. করোনাভাইরাস
  11. কৃষি
  12. খেলাধুলা
  13. চাকরী
  14. জাতীয়
  15. টেকনোলজি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কচুরিপানার বেগুনী রঙের ফুলে সেজেছে নীলকমল নদী

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
জুন ২৭, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ নাসিরুল ইসলাম কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কচুরিপানা এক প্রকার ভাসমান জলজ উদ্ভিদ। বাংলাদেশের সকলের কাছে সুপরিচিত। বর্ষাকালে অত‍্যধিক পরিমাণে জম্মায় ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে নদী -নালা,খাল-বিল,হাওয়র-বাওয়র,পুকুর-জলাশয় ভরে তুলে। এটি অবাধ ভাসমান গুল্ন ও নিচে থেকে একথোকা লম্বা গুচ্ছমূল, ওপরে খর্বিত কান্ডে একথোকা পাতা।

পাতার বোঁটা খাটো পেটমোটা ও স্পঞ্জি। পাতা বেষ্ঠিত মঞ্জুরি ১৫-২০ সে.মি লম্বা ও দন্ডে থাকে ১০-১২ সে.মি লম্বা দৃষ্টিনন্দন ফুল। বাংলাদেশে কচুরিপানা একটি আগাছা। জম্মায় বদ্ধোজলাশয়ে , খাল-বিল,ডোবা -নালাসহ সবত্র। বর্ষাকালে এ পানা দ্রুতই বংশবৃদ্ধি করে এবং প্লাবনভৃমিতে ব‍্যাপকভাবে ছড়ায়। অক্টোবর -জানুয়ারিতে ফুল ফোটে।

গ্রামবাংলার কৃষকরা পটোল, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে কচুরিপানা সার হিসাবে ব‍্যবহার করে ও বাশঁ চাষে ব‍্যবহার করে । মাছ চাষিরা মাছ চাষে কচুরিপানা ব‍্যবহার করে ।

মাছ চাষি বেলাল হোসেন জানান, কচুরিপানা স্বরপুঁটি, গ্রাসকার্প ও হাংরি মাছের প্রিয় খাবার । এই পানার নিচে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে মাছ। কচুরিপানার শিকড়ের ফাঁকে ফাঁকে মাছ আশ্রয় নেয়। বিশেষ করে চিংড়ি,গতা, শিং , মাগুর, টাকি, ধুতরা , খলিশা ও কই মাছের প্রিয় আবাসস্থল। চৈত্র -বৈশাখ এবং আশ্বিন- কার্তিক মাসে কচুরিপানা তুলে হেঙ্গা দিয়ে মাছ ধরা হয়। গরমে জল ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে ও শীতকালে হ্রাস পায় ।

সরেজমিনে ঘুরে কুড়িগ্রামের নীলকমল নদীতে দেখা গেছে এমন এক অবহেলিত উদ্ভিদে এত নয়নাভিরাম মনোমুগ্ধকর ও চিত্তাকর্ষক কচুরিপানার বেগুনী রঙের ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলছে এই ফুল। বর্ষাকালে ফোটা শাপলা, শালুক, ভেটফুল এর চেয়ে কচুরিপানা ফুলের সৌন্দর্য কোন অংশে কম নয়।

নীলকমল নদী যেন সবুজ কচুরিপানা ও এর বেগুনী রঙের ফুলে আপন মহিমায় সেজেছে।

যদিও এই ফুলের বিশেষ কোন সুগন্ধ নেই,তবুও যেন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে এই ফুল মোহিত ও ব‍্যকুল করে তোলে।