patrika71 Logo
ঢাকাশুক্রবার , ১৯ মার্চ ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গণমানুষের হৃদয়ে সমুজ্জ্বল, প্রিয় নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ ভাই: আবরার আহমদ চৌধুরী

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
মার্চ ১৯, ২০২১ ৯:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ, শুধু একটি নাম নয়, একটি চেতনা, একটি প্রেরণা। এক খন্ড জীবন্ত সোনালী ইতিহাস। একজন সময়ের সেরা অনুস্মরণীয় অনুকরণীয় আদর্শ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

আওয়ামী লীগের রাজনীতির এক উজ্জল ধ্রুবতারা। সমাজ, জাতি এবং দেশের আদর্শ প্রেমিক। আলোকিত ব্যক্তি, সমাজ, জাতি এবং দেশ গড়ার কারিগর ছিলেন।

মজলুম, অসহায়, গরীব, দুঃখি, মেহনতি মানুষের দিশারী। মানব সেবায় নিবেদিত প্রাণ একজন সত্যিকার সমাজ সেবক। অত্যন্ত পরিশ্রমী, কর্মঠ, ধৈর্যশীল, ভদ্র, নম্র, বিনয়ী, মিশুক, হিংসা বিদ্বেষ এবং অহংকার মুক্ত সাদা মনের স্বচ্ছ একজন সুহৃদ ব্যক্তি।

এছাড়া আরো বহু গুণে গুনান্বিত, জেনারেল এবং ধর্মীও শিক্ষায় শিক্ষিত একজন দিকপাল মানব। আদর্শ রাজনীতির এক পথিকৃত ব্যক্তি। আদর্শ সমাজ জাতি এবং দেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার বদ্ধ এক প্রত্যয়ী মানব। দক্ষিণ সুরমা ফেঞ্চুগঞ্জ বালাগঞ্জ বাসীর ধারক বাহক কান্ডারি।

সিলেট-৩ আসনের ৩ বারের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস রাজনীতিতে এক অনন্য এবং অনুপম আদর্শ, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী নিঃসন্দেহে গণ মানুষের একজন প্রিয় নেতা ছিলেন।

স্বীকার করতে দ্বীধা নাই, প্রিয় নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস ভাই। আমার মত একজন ক্ষুদ্র জ্ঞানের সাধারণ মানুষের পক্ষে এমন এক সুমহান ব্যক্তিকে নিয়ে লেখার কোন যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতা নেই, তবুও মনের আবেগে বিবেকের তাড়নায়, শ্রদ্ধা এবং ভালবাসার টানে কিছু লিখতে ইচ্ছে হলো। কারণ, এই মাহমুদ উস সামাদ ভাইয়ের সাথে জড়িয়ে আছে ফেলে আসা দিনের অনেক স্মৃতি, অনেক প্রীতি, রাজনৈতিক, সামাজিক, অনেক কীর্তি।

সামাদ ভাইকে আমি দেখেছি খুব কাছ থেকে, গণমানুষের মন জয় করে জননন্দিত এবং জনপ্রিয় নেতা হবার জন্যে যত রকম যোগ্যতা অভিজ্ঞতা এবং গুণাবলীর প্রয়োজন সব গুলো যোগ্যতা অভিজ্ঞতা এবং গুণাবলী বিদ্যমান রয়েছে কয়েছ ভাইয়ের মাঝে। আর তাই রাজনৈতিক অঙ্গনে অল্প সময়ে যারা জননন্দিত, জনপ্রিয় হয়েছেন, রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান গড়েছেন তাদের মাঝে কয়েছ ভাই অন্যতম। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে রাজনীতিতে শেকড় থেকে শিখরে অরোহন করে চমক সৃষ্টি করেন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। বলাবাহুল্য, আওয়ামীলীগের সাথে আমার সখ্য সেই ছোট বেলা থেকে।

২০০৮ সালে প্রথম বারের মত নির্বাচনে এসেই কয়েছ ভাই নিজের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, এবং আন্তরিক ব্যবহার গুণে সাধারণ মানুষের মনে দাগ কাটতে সক্ষম হয়েছিলেন। এবং রাজনীতির ময়দানে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন জোড়ালো ভাবেই। গেল নির্বাচনে তার নির্বাচনী এলাকায় আমার ভোট কেন্দ্রে আমি এজেন্ট ছিলাম বালাগঞ্জে নবাগত হলেও পেয়েছিলেন যথেস্ট পরিচিতি এবং পর্যাপ্ত ভোট।

রাজনীতির ময়দানে কয়েছ ভাই এগিয়ে যান তর তর করে সামন পানে। নির্বাচনের পড়ে বালাগঞ্জ সহ সব জায়গায় চষে বেড়ান নির্বাচনি এলাকার গ্রামে গ্রামে, মানুষের দ্বারে দ্বারে। কুশল বিনিময় করেন সকলের সাথে। শুরু হয় প্রতিটি এলাকায় কয়েছ ভাইয়ের বিরামহীন বিচরণ।

রাজনৈতিক, সামাজিক অনুস্টান, অন্যায়ের বিরোদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম সহ প্রায় সব গুলো তার উপস্থিতি হয়ে নিজের মেধা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বিচক্ষনতা, এবং অনুপম ব্যবহার দিয়ে জয় করতে থাকেন মানুষের হৃদয়। সময়ের পরিক্রমায় হয়ে উঠেন মানুষের মধ্যমনি। পরিবেশের সাথে মানিয়ে রাজনীতির ময়দানে কয়েছ ভাই রাখতে থাকেন অগ্রনী ভুমিকা। বাস্তবায়নের রূপকার। এই কিছু সময়ে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দেন দক্ষিণ সুরমা ফেঞ্চুগঞ্জ বালাগঞ্জ।

সৃষ্টি করেন শতকোটি টাকার উন্নয়নের মাইল ফলক। মাত্র কয়েক বছরের এম পি কয়েছ অতি অল্প সময়ে দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি মুক্ত কাংখিত উন্নয়ন করে জয় করে নেন গণমানুষের হৃদয়। হয়ে উঠেন জননন্দিত এবং জনপ্রিয়। উত্তম চরিত্র, উন্নত আদর্শ, অমায়ীক ব্যবহার, আর জনতার উপকারী সুকর্মের গুণে আজ গণমানুষের হৃদয়ে সমুজ্জ্বল, প্রিয় নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস ভাই।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-৩ আসন (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। পরের দুই নির্বাচনেও এ আসন থেকে নির্বাচিত হন এ আওয়ামীলীগ নেতা। শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর বাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জের নূরপুর গ্রামে। তার বাবার নাম দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী।

মাহমুদ উস সামাদ ভাই আমার নেতা, নেতার মত অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল, মুক্তমনা মানুষ আমি কমই দেখেছি। চলে গিয়ে ভালই করেছেন,হালুয়া রুটির নস্ট রাজনীতি আর পথভ্রষ্ট তথাকথিত নেতারা বহু আগেই আপনাকে খুন করে ফেলেছিল, খুব বেশি মিস করবো আপনার স্পষ্ট ভাষী ভাষণ আর ‘ইন্টেলেকচুয়াল’ রাজনৈতিক চরিত্র। বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতের জাদুর কাটির ছোঁয়ায় বদলে যাক প্রিয় বাংলাদেশ। মাহমুদ উস সামাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ। ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা ‘হে প্রিয় নেতা’।

আবরার আহমদ চৌধুরী, প্রকাশক অনলাইন পত্রিকা (নিউজপোর্টাল২৪) সাবেক সহ-সভাপতি সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।

ad