প্রচ্ছদঅনুসন্ধানীডোমারে স্কুলছাত্র আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন :...

ডোমারে স্কুলছাত্র আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন : গ্রেপ্তার–২

নীলফামারীর ডোমারে স্কুলছাত্র আরিফ হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অটোরিকশা ছিনতাইয়ে বাঁধা দেওয়ায় কহিনুর (৪০) ও আলমগীর (৪০) নামে দুজন ব্যক্তি আরিফকে হত্যা করেন বলে জানায় সিআইডি।

মঙ্গলবার (২৭শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজাদ রহমান।

তিনি বলেন, ডোমারে বাবার অটোরিকশা নিয়ে গত ১৯ আগস্ট বাসা থেকে বের হন আরিফ। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল।‌ নিখোঁজের সাতদিন পর ডোমারের বড়রাউতা মাঝাপাড়া এলাকার একটি সেচ পাম্পঘর থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। নিহত আরিফ ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

ঘটনার নেপথ্যের তথ্য তুলে ধরে আজাদ রহমান জানান, ডোমার বড়রাউতা মাদ্রাসা মোড় থেকে পার্শ্ববর্তী দেবীগঞ্জ উপজেলায় যাওয়ার জন্য দেড়শো টাকা ভাড়ায় যাত্রীবেশে আরিফের অটোরিকশায় ওঠেন তারা। বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে দোলাবাড়ী নামক একটি নির্জন স্থানে যাওয়ার পর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে আরিফকে অটোরিকশাটি থামাতে বলে।

Evend Shop

তখন অটোতে থাকা কহিনুর ও তার সহযোগী আরিফকে জোরপূর্বক অটোরিকশা থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে অটোটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেসময় বাঁধা দিলে আরিফকে মারধর করতে থাকে তারা। একপর্যায়ে অচেতন অবস্থায় মাটিতে পড়ে গেলে ধারালো ছুরি বা চাকু দিয়ে আরিফের গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে, মরদেহটি পাশের সেচ পাম্পঘরে মরিচের শুকনো গাছ দিয়ে ঢেকে রেখে অটো নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর কহিনুর তার বন্ধু আলমগীরের সহযোগিতায় ৪৫ হাজার টাকায় অটোটি বিক্রি করেন রুবেল।

সিআইডির তথ্য মতে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত কহিনুর ইসলাম ওরফে রুবেলের বিরুদ্ধে ডোমার থানার একটি চুরি মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত। অন্যদিকে আলমগীর হোসেন ওরফে আলমের বিরুদ্ধে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন থানায় দস্যুতা ও চুরির ছয়টি মামলা রয়েছে।‌

পত্রিকা একাত্তর/রিশাদ

সম্পর্কিত নিউজ

সর্বশেষ নিউজ