patrika71
ঢাকারবিবার - ২০ নভেম্বর ২০২২
  1. অনুষ্ঠান
  2. অনুসন্ধানী
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. জবস
  13. জাতীয়
  14. ট্যুরিজম
  15. প্রজন্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাইবার ক্রাইম সেল হারানো মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা উদ্ধার পূর্বক হস্তান্তর

জেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
নভেম্বর ২০, ২০২২ ৪:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুনের প্রত্যক্ষ দিক-নির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গা ধারাবাহিকভাবে সাফল্য ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

ইতোমধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গা। সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল বিকাশ/নগদ/রকেট প্রতারণা, মোবাইল উদ্ধার, অনলাইন প্রতারণাসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারণার শিকার ও ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ধরণের আইনগত পরামর্শ ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবাদান করে চলেছে। সাইবার হয়রানি রোধে সার্বক্ষণিক সাইবার প্যাট্রোলিং অব্যাহত রেখেছে। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্কুল- কলেজে উপস্থিত হয়ে উঠতি বয়সী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও চ্যাটিং অ্যাপসসমূহের সঠিক ব্যবহার, হয়রানির শিকার হলে দ্রুত সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গার আইনী সেবা গ্রহণসহ অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনার মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরামর্শ, সেবা ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত চৌকস অফিসারগণ তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে মোবাইল ফোন এবং বিকাশে ডিজিট ভুল হয়ে খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর করছে।

২০.১১.২০২২ বেলা ১২:০০ ঘটিকায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গা কর্তৃক উদ্ধারকৃত বিভিন্ন মডেলের ১০ টি স্মার্ট ফোন এবং বিকাশে খোয়া যাওয়া ৭৩,০০০/- টাকা জনাব আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর করেন।

এসময় হারানো মোবাইল, বিকাশ/নগদ/রকেট প্রতারণা টাকা হাতে পেয়ে আবেদনকারী আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েন। হারানো ফোনের মালিক দামুড়হুদা থানাধীন কুতুবপুর গ্রামের লিটন আলী বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে ফোনের আশা একপ্রকার ছেড়েই দিয়েছিলাম। আমার শখের মোবাইল ফোনটি পুলিশ সুপার ও সাইবার টিমের আন্তরিকতায় এত দ্রুত ফিরে পাবো ভাবতে পারিনি’। তিনি পুলিশ সুপার মহোদয় ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন, চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উক্ত আয়োজনে আরোও উপস্থিত ছিলেন আনিসুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), চুয়াডাঙ্গা, অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা, ডিআইও-১ জেলা বিশেষ শাখা ও ইনচার্জ অপরাধ শাখা চুয়াডাঙ্গা সহ সাইবার ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত অফিসারগণ।

পত্রিকা একাত্তর/ তারিকুর রহমান