patrika71 Logo
ঢাকামঙ্গলবার , ২৪ আগস্ট ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফেন্সিডিল সরবরাহে তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষর্থী; রাজু মেম্বার ধরা ছোঁয়ার বাহিরে

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
আগস্ট ২৪, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

মিঠাপুকুরের বৈরাগীগন্জে কুখ্যাত এক ডজন বংশগত মাদক ব্যবসায়ীর নেতৃত্ব দানকারী রাজু মেম্বার হরফে ডাইল রাজুর ফেন্সিডিল ব্যবসা থেমে নেই।একাধিক স্হানীয় পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পরেও স্কুল মাঠে তার শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র (ছদ্মনাম সাগর) আর বাবর।

স্কুল মাঠে অতি পরিচিত মাদকসেবী ছাড়া কাউকে প্রবেশ কিংবা বাইক রাখতে দেননা। বাইর থেকে মাদকসেবীরা আসলে মূলত স্কুলের পিছন অথবা মসজিদের সামন দিয়ে কৌশলে ফেন্সিডিল বিক্রয় করছেন। শ্রমিক হিসেবে এনামুল একটু গাঁ ঢাকা দিয়েছেন, তার বদলে সূকৌশলে তৃতীয় শ্রেনীর এ শিশুকে ফেন্সিডিল সরবরাহ, টাকা লেনদেন ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত করছেন। কোন ধরনের অসুবিধা হলে বাবর কিংবা অপরিচিত মাদক গ্রহণ করেন এমন হলে ফোন দিয়ে রাজু মেম্বারের সহযোগিতা নিচ্ছেন।

সরেজমিনে ফোন দিয়ে রাজু মেম্বারের সহযোগি, শ্রমিক হিসেবে কাজ করা বাবরকে ফেন্সিডিলের কথা বললে, বাবর জানায়- চুপ করে স্কুলের মাঠে শহিদ মিনারে আসতে এবং দাম ২৮০০ টাকা লাগবে। মাল ভালো হবে, কম নেয়া যাবেনা। অন্য এক অনুসন্ধানে দেখা যায় রাজু মেম্বার ক্লাশ সেভেন পড়া অবস্হায় ফেন্সিডিল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। প্রথমে রাজু মেম্বার ফেন্সিডিল পারাপারে তার বোন রোকছানার লাইনম্যান ছিলেন। পরে ধীরে ধীরে রাজা মিয়া, আমিন মিয়া এ ব্যবসায় জড়িত হলে রাজু মেম্বার ঐ ওয়ার্ডে জনগনকে , মাদক ব্যবসা করবেন না, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে, কালো টাকা ব্যবহার করে, ইউ,পি সদস্য হন। ইউ,পি সদস্য হওয়ার পর ভাই, ভাতিজা, ভাগ্নে, ভাগ্নিসহ আরো এক ডজন মাদক ব্যবসায়ী বাড়িয়ে তোলেন। অনেকটা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মাদক ব্যবসায়ী পরিবার বা সিন্ডিকেট হিসেবে গড়ে তুলেন।

রাজু মেম্বার নিজেকে গড়ে তুলেন গডফাদার হিসেবে।মাদক ব্যবসায়ী এই পরিবারের মামলা সংখ্যা (৯৬) টি। রাজু মেম্বাব বিয়ে করেন চারটি, তার প্রায় সব স্ত্রী মাদক সম্রাগী হিসেবে স্বক্রিয়। ট্রাক পাঁচটি, লেগুনা পাঁচটি, দুটি বাড়ীসহ অটল সম্পদের মালিক হয়ে যান।

তার মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে ২০১৫ সালে দৈনিক যুগের আলোর ষ্টাফ রিপোটার সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎসকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যাহা আদালতে এখনো বিচারাধীন। ২০০৩ সালে পুলিশের সোর্স মোস্তাকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখে মাদক ব্যবসায়ীরা। যে হত্যার এখনো কুল কিনারা হয়নি। যুগে যুগে মাদক ব্যবসায়ী রাজু মেম্বার গংরা মাদক ব্যবসা করছে কিসের জোরে, জানতে চায় আমজনতা। আর কত জীবন গেলে বন্ধ হবে রাজু মেম্বার আর তার বংশের মাদক ব্যবসা? কতদিন আইনের চোখ অদৃশ্য শক্তির কাছে অন্ধ হয়ে থাকবে, সেটাই দেখার বিষয়। এলাকাবাসীর জোড় দাবি, রাজু মেম্বার গংদের গ্রেফতার করে মহিয়সী বেগম রোকেয়ার জন্মভূমি কলঙ্কমুক্ত করা হোক।

ad