patrika71 Logo
ঢাকারবিবার , ২৯ আগস্ট ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
আগস্ট ২৯, ২০২১ ২:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

দশমিনা উপজেলার ৫ নম্বর বহরমপুর ইউনিয়নে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গতকাল শনিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেছেন বহরমপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগ মৃধা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বহরমপুর ইউনিয়নে ২০ জনের নামে মাতৃত্বকালীন ভাতা অনুমোদন হয়।

গতকাল শনিবার ভাতা গ্রহনের শেষ কিস্তির টাকা সোনালী ব্যাংক দশমিনা শাখা থেকে উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে। ২০ জন ভাতা ভোগীর তালিকার মধ্যে ১৩ জনের ভোটার তালিকায় নাম খুজে পাওয়া গেছে, খুজে পাওয়া ভোটার তালিকার মধ্যে মারুফা আক্তার বাউফলের দাশপাড়া ইউনিয়নের, দাশপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মোছাঃ ফাহাদ্দিছিনা দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা। ভাতা তালিকায় ৭ জনের নামের কোন অস্তিত্ব ভোটার তালিকায় খুজে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও ভাতাভোগী ১০ জনের নামের তালিকায় স্বামী বা পিতার নামের স্থলে (নাই) লেখা আছে।

ভাতা ভোগীদের ওই তালিকায় ৯ জনের নামের সামনে বহরমপুর ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার করিমজান বেগমের মোবাইল নাম্বার এবং ৯ জনের নামের সামনে দশমিনা সদর ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার মাহিনুর বেগমের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে। ভাতা প্রাপ্ত সাহিদা বেগমের ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করলে দশমিনার বেতাগী ইউনিয়নের বাবুল ঢালী নামে এক ব্যাক্তি ফোন রিসিভ করে বলেন, তার স্ত্রী বা পরিবারের কেউ মাতৃত্বকালীন ভাতা পান না। মোসাঃ রাবেয়া বেগমের ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া গেছে।

বহরমপুর ইউনিয়নের সাবেক মহিলা মেম্বার করিমজান বেগম বলেন, ভাতা ভোগীদের ফোন নাম্বার নেই তাই আমার নাম্বার দিয়েছে তারা। তিনি আরো বলেন, আজ ব্যাংকে উপস্থিত থেকে আমি ৯ জনের টাকা উত্তোলন করে তাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছি। দশমিনা সদর ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার মাহিনুর বেগম বলেন, বহরমপুর ইউনিয়নের মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় তার ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে সেটা তিনি জানেন না, এব্যাপারে তিনি আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে জানান। বহরমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান সোহাগ মৃধা বলেন,ভুয়া নাম ঠিকানা ব্যবহার করে ভাতার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসার পর উপজেলা নির্বার্হী অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি বহরমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমাকে জানিয়েছেন, আগামী রোববার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় স্থানীয় চেয়ারম্যানকে নিয়ে বসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আল আমিন বলেন, বিষয়টি বহরমপুরের চেয়ারম্যান আমাকে অবহিত করেছেন, এব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

আসাদুল মল্লিক: দশমিনা প্রতিনিধি।