patrika71 Logo
ঢাকাশুক্রবার , ২৭ আগস্ট ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্নীতির প্রমাণে ২ কর্মকর্তার মামলা হলেও নেই নেপথ্যে থাকা আব্দুল ওয়াহাবের নাম

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
আগস্ট ২৭, ২০২১ ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ad

ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রমাণের ঘটনায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সাবেক দুই যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হলেও দূর্নীতির নেপথ্যে থাকা আব্দুল ওয়াহাবের নাম নেই বলে স্থানীয়দের ক্ষোভ।
একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের কেন চাকরি থেকে বরখাস্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট দুপুরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আজহারুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। অভিযুক্তরা হলেন,গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সাবেক যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইউসুফ আলী ভূইয়া (বর্তমানে নরসিংদীর বেলাব উপজেলায়) কর্মরত ও হাসান আলী (বর্তমানে সৈয়দপুর, নীলফামারী) কর্মরত।

অন্য দিকে একই ঘটনার সাথে জড়িত নেপথ্যে থেকে সুচতুর ভাবে কাজ করে যাওয়া সুপারভাইজার আব্দুল ওয়াহাবের নামে কোন মামলা হয়নি। স্থানীয়দের মতে এই আব্দুল ওয়াহাবের মাধ্যমে সকল অপকর্মের কাজ করত হাসান আলী ও ইউসুফ ভুইয়া। তাই মূলহোতা আব্দুল ওয়াহাবের নাম নাথাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা আরো জানান লালবাজারের স্থানীয় যুবক মাসুম বিল্লা জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসান আলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন – ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির প্রথম ব্যাচে তালিকাভুক্ত (৫৬৩) হন দামোদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের বাদি মাসুম বিল্লাহ। কিন্তু অসুস্থ থাকায় প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেননি তিনি।

এ সুযোগে তৎকালীন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসান আলী ও সুপারভাইজার আব্দুল ওয়াহাব ইদিলপুরের মাদারহাটের আবদুল আজিজ সরকারের ছেলে আপেল মাহমুদকে (মাসুম বিল্লাহ) নাম ধারণ করে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করান।
এরপর ভোটার আইডি কার্ডের নাম ও ঠিকানা ঠিক রেখে ছবি, স্বাক্ষর ও জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে ব্যাংক হিসাব খুলে গত ২৪ মাসের কর্মভাতা উত্তোলন করেন আপেল মাহমুদ।

এজাহারে আরও বলা হয়, অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি অবগতের পর ভুয়া (জালিয়াতি) করা ব্যক্তিকে সঞ্চয়ের অর্থ ফেরত প্রদান না করতে গত বছরের ৩জুন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করেন মাসুম বিল্লাহ। পরে আপেল মাহমুদ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে সুপারভাইজার আব্দুল ওয়াহাবকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও ভাতা উত্তোলনের কথা স্বীকার করে লিখিত আবেদন করেন।

বর্তমানে মামলাটি পিবিআই গাইবান্ধায় তদন্তাধীন রয়েছে। এমন পাহাড় সমতুল্য অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আব্দুল ওয়াহাব এখনো বহাল রয়েছে। ইতি মধ্যে তিনি বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন গাইবান্ধায়। নাম নাবলা সর্তে এক ভুক্তভোগী বলেন ওয়াহাব সরাসরি সব অপকর্মে যুক্ত থাকার পরও কিভাবে বিভাগীয় তদন্তে বাদ পড়েযায় আমার বুঝে আসেনা।আবারো সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সুবিচার দাবী করছি। এবিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল ওয়াহাবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এবিষয়ে কথা বলতে নারাজ।

গাইবান্ধা থেকে : মাহাবুব হোসেন।

ad