patrika71 Logo
ঢাকামঙ্গলবার , ৬ জুলাই ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কবিতা
  10. করোনাভাইরাস
  11. কৃষি
  12. খেলাধুলা
  13. চাকরী
  14. জাতীয়
  15. টেকনোলজি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাল স্বাক্ষরে লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট

পত্রিকা একাত্তর ডেক্স
জুলাই ৬, ২০২১ ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের পর ২০১৫ সালে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলাধীন সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি স্মরণে প্রতিষ্ঠিত হয় তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা দাখিল মাদ্রাসা। ছিটমহল বিনিময়ের পর ওই এলাকার লোকজন ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন।

প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের জন্য ওই এলাকার দানশীল ব্যক্তি জনাব আলহাজ্ব আব্দুর রহমান মিয়া তার নিজস্ব জমি দান করেন এবং প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনা কালে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের দাসিয়ারছড়া ইউনিটের সভাপতি জনাব মোঃ আলতাফ হোসেনকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করে বিধি মোতাবেক শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেন। ২০১৫সালে আমিনুল ইসলাম মিয়াকে সুপার এবং শাহনুর আলমকে সহ-সুপার পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

২০১৭সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট কর্তৃক নামকরণের অনুমোদন এবং অত্র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা জনাব আলহাজ্ব আবদুর রহমান মিয়াকে সভাপতি মনোনীত করে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করেন অত্র মাদ্রাসার সুপার আমিনুল ইসলাম মিয়া।

জানা যায়, মাদ্রাসার দাখিল স্তরে প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠদানের অনুমোদন পেতে দেরি হলে বঙ্গবন্ধুর ছিটমহল বিনিময়ের ৭৪এর চুক্তি বিরোধী কিছু লোকের কুপরামর্শে অত্র মাদ্রাসার বর্তমান সহ-সুপার মোঃ শাহনুর আলম, বর্তমান সুপার আমিনুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট এবং ৩২লক্ষ ৩৮হাজার টাকার অর্থ কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করেন।

পরবর্তীতে ছিটমহল আন্দোলন বিরোধী লোকগুলোর কুপরামর্শে নির্বাহী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান মিয়া, সদস্য হানিফ উদ্দিন, মোজাম্মেল হক এবং বর্তমান সুপার আমিনুল ইসলাম মিয়ার স্বাক্ষর জাল করে বর্তমান সহ-সুপার শাহনুর আলম নিজেকে অত্যন্ত সুকৌশলে নিজেকে সুপার হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে চাকরি দেয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা রাতের আধারে হাতিয়ে নেন।

২০১৫ সালের নিয়োগকৃত শিক্ষকগণকে বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করে ১০লক্ষ ৮৭হাজার টাকা হাতিয়ে নেন যাহা নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং অত্র মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট সহ সকলের জানার বাহিরে।

শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার নামীয় অগ্রণী ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখা, কুড়িগ্রাম এর জমাকৃত ৪লক্ষ ৫০ হাজার টাকা কমিটির রেজুলেশন ছাড়া একক স্বাক্ষরে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

সাবেক সভাপতি জনাব মোঃ আলতাফ হোসেন জানান মোঃ শাহানুর আলম কে আমি নিজেই সহকারি সুপার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছি। কখনোই তাঁকে এই মাদ্রাসায় সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় নাই এবং তিনি কোন কাগজপত্র দেখাতে পারবেন না।

বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব আবদুর রহমান মিয়া জানান, সহকারী সুপার শাহনুর আলম আমার স্বাক্ষর জাল করে অনৈতিকভাবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেন যাহা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি এবং অবৈধ। তার কারণেই আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মায়ের নামের প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে। আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তার কঠিন শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

প্রতিষ্ঠিতা সুপার আমিনুল ইসলাম মিয়া জানান, আমি ২০১৫ সালে নিয়োগ পেয়ে অদ্যবধি পর্যন্ত কর্মরত আছি। আমি অনেক ত্যাগ, তিতিক্ষা শিকার করে বঙ্গবন্ধু পরিবারের এই প্রতিষ্ঠানটি এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছি কিন্তু সহ-সুপার শাহনুর আলমের এ সকল দুর্নীতি ও অপকর্মের কারণে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মায়ের নামের প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।