patrika71 Logo
ঢাকাশনিবার , ৩ জুলাই ২০২১
  1. অনুষ্ঠান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. আবহাওয়া
  8. ইভেন্ট
  9. ইসলাম
  10. কবিতা
  11. করোনাভাইরাস
  12. কৃষি
  13. খেলাধুলা
  14. চাকরী
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কৃষকের ধান কৃষকের ঘরেই ফিরে গেলো- গোমস্তাপুর

পত্রিকা একাত্তর ডেস্ক
জুলাই ৩, ২০২১ ১০:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এলএসডি) এর খোঁড়া অজুহাতে খাদ্য গুদামে ধান দিতে এসে ফিরে গেলেন তিন কৃষক। আজ শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা সদর রহনপুর খাদ্যগুদামে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলার দোষিমানী কাঁঠাল গ্রামের ভুক্তভোগী ৩ জন কৃষক আবুল হোসেন,মাইনুল হোসেন ও আবুল কালাম জানায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে তারা ধান দিতে খাদ্য গুদামের প্রধান ফটকে এলে ধানে চিটা আছে এমন অভিযোগ তুলে ধান না নিয়ে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

তারা আরও অভিযোগ করেন, কৃষক নামধারী কিছু লোকের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে নিম্ন মানের ধান নেয়া হচ্ছে অথচ সামান্য চিটার কারনে তাদের ধান নেয়া হয়নি।কৃষকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক শাকিলা নাসরিন জানান,তাদের ধানে চিটা(পাতান) থাকায় তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। পাতান মুক্ত করে নিয়ে এলে তাদের ধান নেয়া হবে। এদিকে, উপজেলায় ধান-চাল সংগ্রহে ওই খাদ্য পরিদর্শক এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকৃত কৃষকদের হয়রানি, টন প্রতি অর্থ আদায়এবং রাতে গুডামে ধান ঢুকানো হয়। এ ছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন ধান-চাল ব্যবসায়ীরা ঐ কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক উৎকোচ আদায় করে বলে অভিযোগ করেছেন।

বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা ও আন্ঞ্চলিক কর্মকর্তাদের অবহিত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি বলে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন । এর ফলে সরকারের ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যাহত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারনা করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ইউএনও মোঃ মিজানুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ফেরত পাঠানো ঐ ৩ জন কৃষকের ধানে চিটা থাকায় তাদের চিটা মুক্ত করে দেয়ার কথা বলে খাদ্য পরিদর্শক কিন্তু ঐ কৃষকরা তা না করে ধান ফেরত নিয়ে যায়।

খাদ্য পরিদর্শক শাকিলা নাসরিন এর টন প্রতি অর্থ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ অভিযোগ করলে বিষয়টি তিনি দ্রুত খতিয়ে দেখবেন। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অন্তরা মল্লিক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি খাদ্য পরিদর্শকের কাছে জেনেছি ধানগুলো চিটা যুক্ত ফলে বি-নির্দেশ না হওয়ায় সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। খাদ্য পরিদর্শকের অর্থ আদায় বা উৎকোচ নেয়ার বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ দেয় নাই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে তা প্রমানিত হলে তিনি ব্যবস্হা গ্রহন করবেন।

ইয়াহিয়া খান রুবেল,
গোমস্তাপুর,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

ad